বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় নীতিমালা অনুযায়ী, রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো রফতানি আয়ের একটি অংশ ইআরকিউ হিসেবে জমা রাখতে পারে। এক্ষেত্রে যেসব প্রতিষ্ঠানের রফতানির পরিমাণ অনেক বেশি তারা ১৫ শতাংশ এবং কম রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো ৬০ শতাংশ অর্থ ইআরকিউ হিসাবে রাখতে পারে। রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের কাঁচামাল ও মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি, বিদেশে অবস্থিত লিঁয়াজো অফিস রক্ষণাবেক্ষণের খরচ মেটানোসহ বিভিন্ন কাজে এখান থেকে ব্যয় করা যায়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, আইসিটি খাতের যেসব প্রতিষ্ঠান রফতানি করে, তারা তাদের এক্সপোর্টের মাধ্যমে উপার্জিত অর্থ ব্যাংকিং মাধ্যমে দেশে এনে তার সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কোনও ধরনের আলাদা অনুমতি ছাড়াই দেশের বাইরে ব্যবসার প্রয়োজনে পাঠাতে পারবেন। তাই ইআরকিউ অ্যাকাউন্টে দুইটি ভাগ থাকে। এক ভাগে রফতানির মাধ্যমে উপার্জিত অর্থের ৭০ শতাংশ ডলার বা অন্য বৈদেশিক মুদ্রায় থাকবে এবং বাকি ৩০ শতাংশ আরেক ভাগে দেশীয় মুদ্রা টাকায় থাকবে।
এর মধ্যে আবার ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনমতো যেকোনও সময় অ্যাকাউন্টের ডলারের ভাগ থেকে দেশীয় ভাগে অর্থ নিয়ে এসে খরচ করতে পারবেন। তবে ৭০ শতাংশের বেশি ডলারে রূপান্তর করতে পারবেন না।
/জিএম/