বিবিএমএ মহাসচিব শেখ শামীম উদ্দিন বলেন, ‘২০১৪ সালের ২২ এপ্রিল এ খাতে সম্পূরক শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়। সরকার যে উদ্দেশ্য নিয়ে সম্পূরক শুল্ক বাড়িয়েছে তার সুফল এনবিআর পাচ্ছে না।’ তিনি বলেন, ‘দেশীয় বেভারেজ খাতের বয়স বেশি নয়। এক সময় কোমল পানীয় আমদানি করতে হতো। বর্তমানে দেশের কোমল পানীয়ের চাহিদার ৯০ শতাংশ স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হয়। বেভারেজ খাতে দেশে বছরে প্রায় ৩ হাজার ৩২৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকার বাণিজ্য হয়ে থাকে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এ খাত থেকে সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট বাবদ ৭৮০ কোটি ৪৩ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে।’
শেখ শামীম উদ্দিন উল্লেখ করেন, ‘এই খাতে উৎপাদন ব্যয় যেমন বাড়ছে, কাঁচামাল, গ্যাস, বিদ্যুৎ থেকে শুরু করে সব কিছুর দাম বাড়ছে। সম্পূরক শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হলে এ খাতে স্থানীয় অনেক কোম্পানি এগিয়ে আসবে। এতে রাজস্ব বাড়ার পাশাপাশি রফতানিও বাড়বে।’
ইন্টারন্যাশনাল বেভারেজ প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাপস মণ্ডল বলেন, ‘কোমল পানীয় ভোগের দিক থেকে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ সর্বনিম্ন। বিশ্বের অন্য দেশে করহার কম হওয়ার কারণে ভোক্তা বেশি। বাংলাদেশের এ হার বাড়ালে এ খাত থেকে রাজস্ব আহরণও বেড়ে যাবে।’
এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় এনবিআর সদস্য ব্যারিস্টার জাহাঙ্গীর হোসেন, পারভেজ ইকবাল, মো. লুৎফর রহমান এবং বাংলাদেশ বেভারেজ ম্যানুফ্যাচারার্স অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ সিরামিক ওয়্যারস ম্যানুফ্যাচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় সরামিক ওয়্যারস ম্যানুফ্যাচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে দেশীয় টাইলস উৎপাদন পর্যায়ে আরোপিত ১৫ শতাংশ সম্পুরক শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়।
/জিএম/এমএনএইচ/