প্যানেল আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন ইরানের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিমন্ত্রী মাহমুদ ডেইজি, সাংহাই করপোরেশন অর্গানাইজেশেনের সেক্রেটারি জেনারেল রশিদ অলিমভ, রাশিয়ান ফেডারেশনের ইকোনমিক ডেভেলপমেন্টের ডেপুটি মিনিস্টার অ্যালেক্সি গুজডেভ, এসসিও বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি বখতিয়ার কাকিমভ।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন বিশ্বের মধ্যে উন্নয়নের রোল মডেল। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে ২০২১ সালে বাংলাদেশ হবে ডিজিটাল মধ্যম আয়ের দেশ। ২০৪১ সালে হবে উন্নত দেশ। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে নিম্নমধ্য আয়ের দেশে প্রবেশ করেছে। বাংলাদেশ গত বছর ৩৪ দশমিক ২৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রফতানি করেছে। ২০২১ সালে রফতানির পরিমাণ হবে ৬০ বিমিলিয়ন মার্কিন ডলার।’ তিনি বলেন, ‘চীন, কাজাকিস্তান, কিরঘিজিস্তান, রাশিয়া, তাজাকিস্তান ও উজবেকিস্তানের সমন্বয়ে গঠিত সাংহাই করপোরেশন অর্গানাইজেশন ফোরামে প্রথমে অবজারভার ও পরে পূর্ণাঙ্গ সদস্য হিসেবে যোগ দিতে বাংলাদেশ আগ্রহী। এ বিষয়ে কার্যক্রম চলছে।’
বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের উপস্থিতিতে গ্যাজ প্রোন প্যাভিলনে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে সহযোগিতার সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষরিত হয়। এ বাংলাদেশেল পক্ষে স্বাক্ষর করেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব নজিমউদ্দিন চৌধুরী এবং রাশিয়ার সরকারের পক্ষে রাশিয়ান ফেডারেশনের পক্ষে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের ফার্স্ট ডেপুটি মিনিস্টার অ্যালেক্সি টেক্সলার এতে স্বাক্ষর করবেন।
এ সময় রাশিয়া ফেডারেশনের সিনিয়র অফিসাররা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া রাশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সাইফুল হক, কমার্শিয়াল কাউন্সিলর মো. আশফাকুল ইসলাম বাবুল ও গ্যাজ পর্ন-এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি অনিরুদ্ধ রায় উপস্থিত ছিলেন।
/এসআই/এমএনএইচ/