বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোসহ আমাদানি-রফতানির বিভিন্ন সমস্যা নিয়েও আলোচনা হয়। এ সময় ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত ট্রান ভান খোয়া, ভিয়েতনামের শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-মহাপরিচালক দো হু হুই, বাংলাদেশ-ভিয়েতনাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি এস এম রহমান, এফবিসিসিআইয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট মুনতাকিম আশরাফ এবং দুই দেশের ব্যবসায়ীরা।
বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য ভিয়েতনামের ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণের অনুরোধ জানানোর পাশাপাশি দেশটিতে সরাসরি ফ্লাইট চালুরও দাবি তোলেন এফবিসিসিআই সভাপতি। ভিয়েতনাম প্রতিনিধিদলকে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্রুত বর্ধনশীল এবং আথর্-সামাজিক বিভিন্ন সূচকে ইতিবাচক অগ্রগতি ঘটছে।’
বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা সামুদ্রিক মাছ ও শুটকি রফতানির প্রস্তাব দেন বৈঠকে। অন্যদিকে ভিয়েতনামের ব্যবসায়ীরা শিশু খাদ্যসহ অন্যান্য পণ্যে শুল্কহার কমানোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন। কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, সংস্কৃতি, পর্যটন ও শিক্ষা খাতে সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেন দুই দেশের ব্যবসায়ীরা।
ভিয়েতনামের শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া ও আফ্রিকা বিভাগের উপ-মহাপরিচালক মি. দো হু হুই আশা প্রকাশ করেন, তাদের এ সফরের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্কের নতুন দুয়ার উন্মোচিত হবে। শিগগিরই এফবিসিসিআই থেকে ব্যবসায়ীদের একটি প্রতিনিধি দল ভিয়েতনাম সফর করবে বলে আশা প্রকাশ করেন মি. দো হুই।
২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৬৫.০৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য ভিয়েতনামে রফতানি করে। ওই সময় ভিয়েতনাম থেকে ৩৮৭.৬৫ মিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি হয়। ভিয়েতনামে বাংলাদেশের রফতানিযোগ্য পণ্যগুলো হলো— কৃষিজাত পণ্য, পাট ও চামড়াজাত পণ্য এবং ওষুধ সামগ্রী। আর ভিয়েতনাম থেকে মূলত খনিজ দ্রব্য, বস্ত্র, যন্ত্রপাতি ও প্লাস্টিক উপাদান আমদানি করা হয়।
/জিএম/জেএইচ/