কম উৎপাদন ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পখাতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ: শিল্পমন্ত্রী

 

বৈশ্বিক মানোন্নয়ন প্রক্রিয়ায় এসএমই খাতকে একীভূতকরণ: চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেশনে বক্তব্য রাখছেণ শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতে পরিবেশবান্ধব আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ ও নতুন উদ্ভাবনে পৃষ্ঠপোষকতা বাড়ানোর তাগিদ দেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। তিনি বলেন, ‘কম উৎপাদনশীলতা  বিশ্বব্যাপী ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পখাতের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বিশ্বের সব দেশ কমবেশি এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। উন্নত দেশগুলোর অনুকরণে ভ্যালু চেইনের উন্নয়ন করে এসএমই খাতে পণ্য বৈচিত্র্যকরণ ও মূল্য সংযোজনের সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।’ শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) ভারতে ওয়ার্ল্ড অ্যাসোসিয়েশন ফর স্মল অ্যান্ড মিডিয়াম এন্টারপ্রাইজেজ আয়োজিত ‘বৈশ্বিক মানোন্নয়ন প্রক্রিয়ায় এসএমই খাতকে একীভূতকরণ: চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক উচ্চ পর্যায়ের প্ল্যানারি সেশনে তিনি এসব কথা বলেন। শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

দুই দিনব্যাপী আয়োজিত ২১তম আন্তর্জাতিক ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প সম্মেলন উপলক্ষে দিল্লির ইন্ডিয়া হ্যাবিটেট সেন্টারে শুক্রবার এ অধিবেশনের আয়োজন করা হয়।

অধিবেশনে শিল্পমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এসএমই খাত মূল চালিকাশক্তি হিসেবে অবদান রাখছে। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ১০ লাখ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প রয়েছে। যেগুলো জিডিপি প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান ও দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখছে। দেশের শিল্প উদ্যোগ ও ব্যবসার প্রায় শতকরা ৯০ ভাগ এসএমই খাতের আওতাভুক্ত। এ শিল্পখাত জিডিপি প্রবৃদ্ধির শতকরা ২৫ ভাগ, শিল্প কর্মসংস্থানের শতকরা প্রায় ৮৫ ভাগ এবং গৃহস্থালি আয়ের শতকরা ৭৫ ভাগ জোগান দিয়ে থাকে।’

দ্রুত ও টেকসই শিল্পায়নের লক্ষ্য অর্জনে বৈশ্বিক ভ্যালু চেইনে এসএমই খাতকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর  গুরুত্ব আরোপ করে শিল্পমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বের যেসব দেশ দ্রুত ভ্যালু চেইনের উন্নতি ঘটাতে সক্ষম হয়েছে, সেগুলোর মাথাপিছু জিডিপি প্রবৃদ্ধি অন্যান্য দেশের গড় প্রবৃদ্ধির চেয়ে শতকরা ২ ভাগ বেশি। সিঙ্গাপুর, তাইওয়ান, চীন, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়া ইতোমধ্যে বৈশ্বিক ভ্যালু চেইনে অন্তর্ভুক্ত হয়ে টেকসই শিল্পায়ন ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির অনন্য নজির স্থাপন করেছে।’