‘অর্থনীতি ও নৈতিকতা: অর্থ ও অর্থায়ন’ শীর্ষক এই কর্মঅধিবেশনে উপস্থাপন করা হয় ১০টি প্রবন্ধ। এখানে সভাপতি ছিলেন বিআইবিএম মহাপরিচালক। তার ভাষ্য, ‘বাংলাদেশে একবার কেউ ব্যাংকের লাইসেন্স পেলে তা বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্ব সরকারের। কিন্তু ফারমার্স ব্যাংকে যা হয়েছে, তাতে এই ব্যাংকের অবশ্যই মরে যাওয়া উচিত।’
ব্যাংক ও আর্থিক খাতের সুশাসন নিশ্চিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শক্তিশালী হওয়ার কোনও বিকল্প নেই, এমন মন্তব্যও করেন বিআইবিএম মহাপরিচালক। তার কথায়, ‘যত কিছুই করা হোক, শক্তিশালী কেন্দ্রীয় ব্যাংক ছাড়া আর্থিক খাত নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব।’
বর্তমান সরকারের গত মেয়াদে রাজনৈতিক বিবেচনায় ২০১২ সালে অনুমোদন পায় ফারমার্স ব্যাংক। তবে এর আগেই দফতর খুলে নিয়োগ দেওয়া শুরু করেছিল প্রতিষ্ঠানটি। ২০১৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরুর পর বছর না ঘুরতেই ঋণের অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে এই ব্যাংক। সাধারণ আমানতকারীরা এখন এর ভুক্তভোগী।