আবুল মাল আবদুল মহিত বলেন, ‘ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এ বৃত্তি প্রদান কর্মসূচি সরকারের পরে দেশের বৃহত্তম বৃত্তি কর্মসূচি। ডাচ-বাংলা ব্যাংকের বৃত্তির এই টাকা দিয়েই একজন শিক্ষার্থীর পুরো খরচ চালানো সম্ভব।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের সময়ে খুব নির্দিষ্ট বৃত্তি ছিল। বৃত্তির টাকা তেমন ছিল না। বৃত্তির টাকা দিয়ে পুরো খরচ চলতো না।’
১৬-১৭ বছরের শিক্ষাজীবনে আট বছর বৃত্তি পেয়েছিলেন জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি মাসিক ৩ টাকা থেকে শুরু করে ৫ টাকা, ১০ টাকা, ২০ টাকা এবং সর্বশেষ ৪০ টাকা পর্যন্ত বৃত্তি পাই।’
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ডাচ-বাংলা ব্যাংকের বৃত্তি চালুর পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ৫০ হাজার ৬৭৯ জনকে বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ২১ হাজার ১৮৭ জনের বৃত্তি চলমান রয়েছে।
ডাচ-বাংলা ব্যাংকের চেয়ারম্যান সায়েম আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী মুহিত ছাড়াও আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির উপস্থিত ছিলেন।