কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কাশেম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আগামীকাল (রবিবার) এই কেন্দ্রর নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এজন্য সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মাতারবাড়ীতে কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রর সঙ্গে সঙ্গে জেটি ও চ্যানেল নির্মাণ করব আমরা।’
জানা গেছে, মহেশখালীর মাতারবাড়ী ও ঢালঘাটা ইউনিয়নের এক হাজার ৪১৪ একর জমিতে এই বিদ্যুৎ প্রকল্পটি নির্মাণ করা হচ্ছে। কয়লাভিত্তিক এ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হবে আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তিতে। প্রকল্প এলাকায় সড়ক নির্মাণ, টাউনশিপ গড়ে তোলাসহ আনুষঙ্গিক কাজের প্রায় ১৭ শতাংশ এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। এ প্রকল্পে বর্তমানে চারশ শ্রমিক কাজ করছেন। পর্যায়ক্রমে আরও দুই হাজার শ্রমিক এ প্রকল্পে যোগ দেবে বলে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
মাতারবাড়ীতে বিদ্যুৎকেন্দ্রর জন্য সাত কিলোমিটার নৌ চ্যানেল এবং কয়লা খালাসের জন্য জেটিও নির্মাণ করা হবে।
এর আগে, ২০১৫ সালের আগস্টে মাতারবাড়ীতে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ৩৬ হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয় সরকার। এই প্রকল্পে ২৯ হাজার কোটি টাকা দেবে জাইকা, বাকি টাকা দেবে সরকার। বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে গত বছরের জুলাইয়ে জাপানের তিনটি প্রতিষ্ঠানের একটি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে চুক্তি করে কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ (সিপিজিসিবিএল)। জাপানি কনসোর্টিয়ামের অন্যতম কোম্পানি তোশিবা করপোরেশন। চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের মধ্যে এই কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন হওয়ার কথা রয়েছে।
মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ কাজের উদ্বোধনকে সামনে রেখে গত ৫ জানুয়ারি মাতারবাড়ী প্রকল্প পরিদর্শন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। ওই সময় তার সঙ্গে ছিলেন জাপানের রাষ্ট্রদূত হিরোয়াসু ইউজুমি, জাইকার প্রতিনিধি তাকাতোশি নিশিকাতা, পিডিবির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ প্রমুখ।