অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘তামাকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের অভিমত নিয়েছি। তার কিছু ইঙ্গিত এ বাজেটে দিতে পারব, যেন দেশ থেকে তামাক বিতাড়িত করতে পারি।’ তবে তামাক চাষিদের জন্য বিকল্প চাষের ব্যবস্থা করতে হবে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী মুহিত।
অনুষ্ঠানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘ঋণ গ্রহণ ও আদায়ে যেন কোনও রাজনৈতিক প্রভাব না থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে। গত পাঁচ ছয় বছরে বাজেট বাস্তবায়নের হার কমেছে, এজন্য বাস্তবায়নে প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়ানো দরকার।’
পিকেএসএফ চেয়ারম্যান কাজী খলীকুজ্জমান বলেন, ‘উৎপাদনশীলতা বাড়াতে কৃষক ও কৃষি শ্রমিককে প্রশিক্ষণ দেওয়া প্রয়োজন।’
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান ড. জাঈদি সাত্তার, সাধারণ বীমা করপোরেশনের চেয়ারম্যান ড. শিবলী রুবাইয়াত উল ইসলাম, পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. শামসুল আলম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে বাংলাদেশ স্টাডি ট্রাস্টের চেয়ারম্যান এ কে এ মোমেন।