ড. দেবপ্রিয় বলেন, ‘আজকের যুবসমাজের প্রত্যাশা, তাদের আকাঙ্ক্ষাকে নীতিতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তিন কোটি যুব ভোটারের মনোভাব আমাদের বুঝতে হবে। নেতাদের জানতে হবে এবং দেশের কাজে লাগাতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘প্রতি তিনজন ভোটারের মধ্যে একজন তরুণ ভোটার। গত ১০ বছরে দেড় কোটি, দেড় কোটি করে মোট তিন কোটি নতুন ভোটার হয়েছেন। এটি দেশের মোট ভোটারের প্রায় ৩০ শতাংশ। এ কারণে সরকারের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে এই নতুন ভোটার তথা যুবকদের প্রত্যাশার প্রতিফলন থাকতে হবে।’
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ১৪ অক্টোবর রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের উদ্যোগে ‘যুব সম্মেলন-২০১৮,বাংলাদেশ ও এজেন্ডা ২০৩০- তারুণ্যের প্রত্যাশা’ শীর্ষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এই সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যুব সমাজের প্রায় ২০০০ প্রতিনিধির সমাগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সম্মেলনে মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, গ্রাম ও শহর এলাকায় বসবাসরত যুবকদের মাঝে এসডিজি‘র বিভিন্ন লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরা, জাতীয় উন্নয়ন সর্ম্পকে যুবকদের আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশা তুলে ধরার জন্য ক্ষেত্র প্রস্তুত করা এবং স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে নীতিবিষয়ক বিষয়ে যুবকদের অভিমত কার্যকরভাবে তুলে ধরা। এর আগে এসডিজি বাস্তবায়নে ২০১৬ ও ২০১৭ সালে বাংলাদেশে দু’টি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানান ড. দেবপ্রিয়।
সংবাদ সম্মেলনে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘২০৩০ সালের মধ্যে জাতিসংঘে ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন (এসডিজি) অর্জনে অনান্য দেশের মতোই কাজ শুরু শুরু করেছে বাংলাদেশ। নাগরিক প্ল্যাটফর্মের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, এসডিজি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় সক্রিয় ভূমিকা রাখা, স্বচ্ছতা ও নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়াকে কার্যকর ফলপ্রসূ করা। এসডিজি বাস্তবায়নে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে। এটি বাস্তবায়ন করা না গেলে আমাদের তরুণ সমাজই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।’
প্রসঙ্গত, সংবাদ সম্মেলনে লোগো ও ওয়েবসাইটসহ অন্যান্য উপকরণ উন্মোচন করা হয়।