ভাগ্যবান ক্রেতা জানান, গত ৩১ আগস্ট রাজধানীর কাজিপাড়া ওয়ালটন প্লাজা থেকে চারটি সিলিং ফ্যান কেনেন তিনি। এর প্রতিটির দাম ২৬৫০ টাকা। এরপর নিজের মোবাইল নম্বর দিয়ে নিবন্ধনের পর চারটি ফ্যানের একটিতে মিলে যায় নতুন গাড়ি। বাকি তিনটি ফ্যানেও নগদ মূল্যফেরত (ক্যাশব্যাক) পেয়েছেন তিনি।
সোমবার (৩ সেপ্টেম্বর) ওয়ালটন করপোরেট অফিসে মশিউর রহমানের কাছে নতুন গাড়ি হস্তান্তর করা হয়। তার হাতে গাড়ির চাবি তুলে দেন ওয়ালটনের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ও সেলস বিভাগের প্রধান সমন্বয়ক ইভা রিজওয়ানা।
গাড়ি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে মশিউর রহমান জানান, ঢাকার কাজিপাড়ার স্থায়ী বাসিন্দা তিনি। বাবা-মা, তিন ভাই, এক বোন, স্ত্রী ও ছয় বছর বয়সী মেয়ে নিয়ে তার পরিবার। কম্পিউটার পার্টস রিসাইক্লিংয়ের ব্যবসা আছে তার। দীর্ঘদিন ধরে টিভি, ফ্রিজ, এসিসহ দেশীয় ব্র্যান্ড ওয়ালটনের বিভিন্ন পণ্য ব্যবহার করছেন। এসব পণ্যের সেবায় সন্তুষ্ট বলে পরিবারের জন্য একসঙ্গে চারটি ফ্যান কেনেন তিনি। সেগুলোর মধ্যে একটি তাকে এনে দিলো নতুন গাড়ি।
গাড়িজয়ী মশিউর রহমান বলেন, ‘যেকোনও পুরস্কারই আনন্দের। আর ফ্যান কিনে গাড়ি পাওয়ার আনন্দের তুলনা নেই। আমরা মহাখুশি। ফ্যানের মতো স্বল্পমূল্যের পণ্যে নতুন গাড়ি দেওয়ার কথা কখনও শুনিনি। তাছাড়া এমন অনেকেই গাড়ির অফার দিলেও শেষ পর্যন্ত তা প্রকৃত ক্রেতা পায় না বলেই শুনি। কিন্তু ওয়ালটন এখানে ব্যতিক্রম। তারা স্বচ্ছভাবেই ক্যাম্পেইন পরিচালনা করছেন।’
‘লাগলো এবার কাড়াকাড়ি, ফ্যান কিনলে নতুন গাড়ি’ স্লোগান নিয়ে গত ১ জুলাই শুরু হয় ওয়ালটন ফ্যানের ডিজিটাল ক্যাম্পেইন। অনলাইনের আওতায় বিক্রয়োত্তর সেবা কার্যক্রম আনতে তাদের এই উদ্যোগ। এর আওতায় ওয়ালটনের যেকোনও ফ্যান কিনে নিবন্ধন করে ক্রেতারা পাচ্ছেন নতুন গাড়ি। সেই সঙ্গে রয়েছে মোটরসাইকেল, ফ্রিজ, টিভিসহ অসংখ্য পণ্য জেতার সুযোগ। এসব না পেলেও আছে নিশ্চিত ক্যাশব্যাক। এ সুযোগ থাকবে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
কর্তৃপক্ষ জানায়— ওয়ালটনের রয়েছে বিভিন্ন মডেল, কালার ও ডিজাইনের ফ্যান। ওয়ালটনের সিলিং, ওয়াল, টেবিল কিংবা প্যাডেস্টাল মিলিয়ে ৫৪ মডেলের ফ্যান বা ইলেকট্রিক পাখা রয়েছে বাজারে।