অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান। এসডিজি অর্জনে ধানভিত্তিক কৃষি খাদ্য ব্যবস্থাপনা কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে এবং এর জন্য কতটুকু অর্থ সহায়তা প্রয়োজন এ নিয়ে আলোচনা করা হয় অনুষ্ঠানে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ এবং ইন্টারন্যাশনাল রাইস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (ইরি) যৌথভাবে এ সভার আয়োজন করে।
ড. শামছুল আলম বলেন, ‘দেশের মোট কর্মসংস্থানের ৪০ শতাংশ কৃষিকাজে নিয়োজিত। এত বিপুল পরিমাণ জনগণ কৃষিতে নিয়োজিত থাকলেও মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) কৃষি খাতের অবদান মাত্র ১৪ দশমিক ৩৩ শতাংশ।’ তিনি বলেন, ‘তরুণরা এই সেক্টরে কাজ করতে আগ্রহী নয়। যারা কাজ করছে তারা বেশিরভাগই বয়স্ক ও মধ্যবয়স্ক। প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে তরুণদেরও এ খাতে আগ্রহি করে তুলতে হবে।’
অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘বর্তমান সরকার কৃষিখাতে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার করায় বদ্ধপরিকর। উদ্ভাবনী কৃষি খাদ্য উৎপাদন ও বিতরণের মাধ্যমে জাতীয় খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা বৃদ্ধি করছে। এর ফলে দারিদ্র্য বিমোচনসহ গ্রামীণ জীবন-জীবিকা উন্নয়ন হয়েছে।’
কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নাসিরুজ্জামান বলেন, ‘অতিরিক্ত জনসংখ্যা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ। দেখা যায় যে কৃষি পন্য উৎপাদন হয় তা থেকে রফতানি আমরা কমই করতে পারি। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অনেক প্রকৃতিক দুর্যোগ হয়। ঝড় বন্যা বেশি হচ্ছে। সমুদ্র উপুকলবর্তী জেলাগুলোর পানিতে লবণাক্ততা দেখা দিচ্ছে। এগুলো আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ।’
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও উইং প্রধান সুলতানা আফরোজের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ভারপ্রাপ্ত) সচিব মনোয়ার আহমেদ।