পিডিবির পরিচালক (জনসংযোগ) সাইফুল হাসান চৌধুরী এ তথ্য জানান।
সাইফুল হাসান চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থেকে সন্দ্বীপ পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সাগর তলদেশে এই সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন করা হয়েছে। এতে সন্দ্বীপের চার লাখ অধিবাসী গ্রিড বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এলো। সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনের ফলে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় এখানে শিল্প কারখানা স্থাপনসহ বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের ব্যাপক প্রসার ঘটবে।’
বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়, উপকূল থেকে ১৫ কিলোমিটারের ৩৩ কেভির দুইটি ক্যাবল স্থাপনের মাধ্যমে গ্রিড সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া সন্দ্বীপে ১৬ ও সীতাকুণ্ডে ১০ কিলোমিটার ওভার হেড লাইন (মাটির ওপর) স্থাপন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে একটি ক্যাবলের মাধ্যমে ১০ মেগাওয়াটের মতো বিদ্যুৎ সঞ্চালনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বাকি ক্যাবলটি রাখা হয়েছে বিকল্প হিসেবে। ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ চাহিদা বাড়লে বিকল্প ক্যাবলটির মাধ্যমেও বিদ্যুৎ সঞ্চালন করা যাবে। দুই ক্যাবলের মাধ্যমে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সঞ্চালন করা সম্ভব হবে। এগুলোর স্থায়ীত্বকাল ৫০ বছর। ১৪৪ কোটি টাকার প্রকল্পটি ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে একনেক অনুমোদন করে। ঠিকাদার হিসেব কাজ পায় চীনা কোম্পানি জেডটিটি।
পিডিবি জানায়, শুধু বিদ্যুৎই নয় এর মধ্যদিয়ে দ্বীপের মানুষের কাছে পৌছে দেওয়া হবে দ্রুতগতির ইন্টারনেট। বুধবার পর্যন্ত সন্দ্বীপে ডিজেল জেনারেটর দিয়ে শুধু পিক আওয়ারে সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করে আসছিল পিডিবি। এখন সন্দ্বীপের বিদ্যুতের চাহিদা গড়ে এক দশমিক ৮০ মেগাওয়াট।