কৃষির টেকসই উন্নয়নে বাণিজ্য অপরিহার্য: কৃষিমন্ত্রী

জাতীয় সবজি মেলা ২০১৯ এর উদ্বোধন আধুনিক কৃষি যান্ত্রিকীকরণ ও কৃষির বহুমুখীকরণের মাধ্যমেই কৃষির উন্নয়ন সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন,‘আমাদের যে উৎপাদন ক্ষমতা রয়েছে, তার সঙ্গে স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাজারজাত নিশ্চিত করতে পারলে এসডিজির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে বাংলাদেশ। দেশের অর্থনীতি এবং কর্মসংস্থানে কৃষির ভূমিকা অনেক। আমাদের উৎপাদিত কৃষি পণ্য রফতানি করতে পারলে আয় বাড়বে। আয় বাড়লে সক্ষমতা বাড়বে, তখন মানুষের নিরাপদ ও পুষ্টিমানসম্পন্ন খাদ্য গ্রহণের হারও বাড়বে। সেজন্য কৃষির টেকসই উন্নয়নে কৃষি বাণিজ্যিকীকরণ অপরিহার্য।’

বৃহস্পতিবার (২৪ জানুয়ারি) রাজধানী ঢাকার কেআইবি প্রাঙ্গনে জাতীয় সবজি মেলা ২০১৯ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ‘পুষ্টি নিরাপত্তা ও দারিদ্র্য বিমোচনে বছরব্যাপী নিরাপদ সবজি চাষ’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি বক্তব্য রাখেন।

এবার মেলায় মোট ৭১টি স্টল ও ৫টি প্যাভিলিয়ন স্থান পেয়েছে। মেলার প্রতিপাদ্য ছিল ‘নিরাপদ সবজি করব চাষ, পুষ্টি মিলবে বার মাস।’

কৃষি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব নাসিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি উপস্থিত ছিলেন। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর ড.গোলাম মোর্শেদ আব্দুল হালিম।              

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের জন্য এখন দুটি চ্যালেঞ্জ। জনগণের জন্য পুষ্টি ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ এবং উৎপাদনমুখী খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়ে আমাদের শিক্ষিত জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করা। উৎপাদিত পণ্যের প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে মূল্য সংযোজন ও রফতানি বাড়াতে পারলে দেশের বাজারও সম্প্রসারণ হবে। কৃষক তার ফসলের ন্যায্য দাম পাবে। আরও বাড়বে কৃষি উৎপাদন। নিশ্চিত হবে নিরাপদ ও পুষ্টিমানসম্পন্ন খাদ্যের যোগান। লক্ষ্য পূরণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং কৃষি মন্ত্রণালয়কে সমন্বিতভাবে কাজ করার পলিসি নির্ধারণ করতে হবে। আর এজন্য কৃষি খাতের সবার সহযোগিতার কোনও বিকল্প নেই।’