১০-১২ কোম্পানির অর্থপাচারের তথ্য পেয়েছে এনবিআর

এনবিআরদেশে ১০ থেকে ১২টি কোম্পানির অর্থপাচারের তথ্য এনবিআরের কাছে রয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া। বুধবার (৩০ জানুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানান।
ক্রিসেন্ট লেদার প্রোডাক্টস লিমিটেড ও ক্রিসেন্ট ট্যানারিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান এম এ কাদেরকে আটক করার বিষয়টি জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ক্রিসেন্ট গ্রুপের তিন প্রতিষ্ঠান ক্রিসেন্ট লেদার ৪২২ কোটি ৪৬ লাখ, রিমেক্স ফুটওয়্যার ৪৮১ কোটি ২৬ লাখ টাকা ও ক্রিসেন্ট ট্যানারিজ ১৫ কোটি ৮৪ লাখ বিদেশে পাচার করেছে। এর বাইরে আরও ১০ থেকে ১২টি কোম্পানির টাকা পাচারের তথ্য এনবিআরের কাছে রয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বৈঠক করে তাদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ ও রফতানির সুযোগ থাকার পরও কেন টাকা পাচার হচ্ছে এমন প্রশ্নে এনবিআর প্রধান বলেন, ‘যারা টাকা পাচার করেন, তারা ভোগ করতে পারেন না। আমরা আগে শুনতাম সুইস ব্যাংকে টাকা রাখার ঘটনা। কিন্তু তারাও টাকা ফেরত দেয় না। অথচ অনেকে দেশের ব্যাংকের টাকা লুট করে নিয়ে যাচ্ছে।’
এক প্রশ্নের জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘টাকা ফিরিয়ে আনতে আন্তর্জাতিক ফার্ম নিয়োগ দেওয়ার কাজ চলছে। ইতোমধ্যে বিদেশি কয়েকটি ফার্মের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।’
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মাদক চোরাকারবারির সঙ্গে জড়িতদের সম্পদের হিসাব নেওয়া হবে।