কোরিয়ান এই কোম্পানিটি পেসিফিক এনার্জি ও ফরচুন এনার্জির সঙ্গে যৌথভাবে কেন্দ্রটি করার জন্য লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) বা আগ্রহপত্র জমা দিয়েছে। বর্তমানে এই কোম্পানিটির ১১ হাজার ১৮৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করার মতো কেন্দ্র রয়েছে। কোম্পানিটি তাপ (কয়লা) ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকেও বিদ্যুৎ উৎপাদনে অভিজ্ঞ। যুক্তরাজ্য, জামাইকা, ইন্দোনেশিয়াসহ বেশকিছু দেশে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করেছে কোম্পানিটি।
তবে এলএনজির সরবরাহ কী করে আসবে তা প্রস্তাবে বলা নেই। সরকার বলছে, যারা এ ধরনের কেন্দ্র করতে চায় তাদের শুধু কেন্দ্র নির্মাণ করলেই হবে না, জ্বালানির সংস্থানও করতে হবে। কিন্তু কোরিয়ান কোম্পানিটি এলএনজির সংস্থানের বিষয়ে কিছু বলেনি।
পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহম্মদ হোসেইন বলেন, ‘অর্থনৈতিক অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এতে বলা হচ্ছে, ২০৩৫ সালের মধ্যে এলএনজি আমদানির পরিমাণ বাড়িয়ে পাঁচ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট করা হবে। এই গ্যাস আমদানির পাশাপাশি এলএনজিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনেরও পরিকল্পনা রয়েছে। এই বিষয়ে অনেক কোম্পানিই আগ্রহ দেখাচ্ছে। আমরা তাদের প্রস্তাব যাচাই-বাছাই করছি।’
সরকারের মহাপরিকল্পনায়- শুরুতে ৫০ ভাগ কয়লা এবং অন্যান্য জ্বালানিতে বাকি ৫০ ভাগ বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা বলা আছে। তবে এই পরিকল্পনা সংশোধন করে এলএনজিতে ১৫ ভাগ বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়টি নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারি নর্থওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি তিন হাজার ৬০০ মেগাওয়াট, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড একই ক্ষমতার একটি এবং সামিট গ্রুপ দুই হাজার ৪০০ মেগাওয়াটের একটি এলএনজিচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এর বাইরে ভারতীয় রিল্যায়েন্স কোম্পানি ৭৫০ মেগাওয়াট এলএনজিচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে সরকারের সঙ্গে চুক্তি করেছে।
আরও পড়ুন: সরকারের দুই মেয়াদে ৮৮ বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী
সংকটের মধ্যেই গ্যাসচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র!