সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত চার মাসের বকেয়া বেতনভাতা পরিশোধের জন্য ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে অর্থ বিভাগের ‘অপ্রতাশিত ব্যয়’ খাত থেকে এই টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এই টাকা ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু শর্তের কথা হয়েছে। ১. পাটকলগুলোর অন্য কোনও খাতে এই টাকা ব্যয় করা যাবে না। ২. এই টাকা সুনির্দিষ্ট ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট-পে চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে। ৩. টাকা খরচের সাত দিনের মধ্যে পাটকলভিত্তিক কর্মচারী ও শ্রমিকদের তালিকাসহ বিস্তারিত ব্যয়বিবরণী অর্থ বিভাগে পাঠাতে হবে। ৪. সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করতে হবে এবং ৫. বিধিবহির্ভূতভাবে কোনও অর্থ পরিশোধ করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, আর্থিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, বিজেএমসি ও অর্থ বিভাগের মধ্যে সই হওয়া সমঝোতা স্মারকের শর্ত যথাযথভাবে মানতে হবে। ছাড় করা অর্থ বিজেএমসির অনুকূলে ‘সরকারি ঋণ’ হিসেবে গণ্য হবে, যা আগামী ২০ বছরে (পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ) পাঁচ শতাংশ সুদে ষান্মাসিক কিস্তিতে পরিশোধ করতে হবে। এ বিষয়ে অর্থ বিভাগের সঙ্গে বিজেএমসির একটি চুক্তি সই হবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।