খাদ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘‘আপনাদের যারা ‘এ’ গ্রেড পেলেন, আশা করি, তারা সরকারের এই স্বীকৃতিটুকু ধরে রাখবেন, সামনের বছর ‘এ+’ পাবেন। রেস্তোরাঁর মান বজায় রাখতে হবে। এখন যদি ব্যবসায়িক অতি লোভ ত্যাগ না করতে পারেন, তাহলে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা অনেকটাই কঠিন হবে।’
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সবার মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে। যারা ব্যবসা করেন, তারা নিজেদের তৃপ্তির জন্য হলেও ভোক্তার হাতে নিরাপদ খাদ্য তুলে দিন।’
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সৈয়দা সারওয়ার জাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন খাদ্য সচিব মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন খাদ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা, বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির নেতা, বেকারি ও মিষ্টির দোকানের মালিকরা।