সার্কুলারে বলা হয়েছে, এক লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণগ্রহীতাদের সুদ মওকুফ হবে বার্ষিক দুই শতাংশ পর্যন্ত। এর চেয়ে বড় ঋণগ্রহীতারা বার্ষিক এক শতাংশ পর্যন্ত সুদ মওকুফ পাবেন। সরকারের দেওয়া দুই হাজার কোটি টাকা সুদ ভর্তুকি এভাবেই গ্রাহকদের মাঝে বিতরণ হবে।
এর আগে, বাংলাদেশ ব্যাংক গত ৩ মে জানিয়েছিল, ব্যাংকগুলো এপ্রিল ও মে মাসের সুদ আয় খাতে নিতে পারবে না। সুদ আয় খাতে না নিলে ব্যাংক লোকসান চলে যাবে, এজন্য ব্যাংকগুলোর পক্ষ থেকে তীব্র আপত্তি তোলা হলে সরকারের পক্ষ দুই হাজার কোটি টাকা সুদ ভর্তুকির ঘোষণা দেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ঠিক করে দিয়েছে, কোন গ্রাহক কী পরিমাণ সুদ ভর্তুকি পাবে।