বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি আগামী দিনের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে সরকার সহযোগিতা করছে। কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি হওয়ায় বাংলাদেশে বড় আকারের সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্র সেভাবে না করা গেলেও ছাদে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র বা ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে আগানো যেতে পারে। তিনি বলেন, ‘২০১৮ সালে সরকার নেট মিটারিং নির্দেশিকা অনুমোদন করেছে। বায়ু ও বর্জ্য নিয়েও বিদ্যুৎ বিভাগ কাজ করছে।’
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ইনস্টিটিউট অব এনার্জি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, গ্রিনটেক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এবং সোলার এনার্জি সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে `‘২০তম জাতীয় নবায়নযোগ্য শক্তি শীর্ষক’ ভার্চুয়াল সম্মেলনের সমাপনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে সম্পৃক্ত হয়ে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ভার্চুয়াল এই সম্মেলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আখতারউজ্জামানের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক, গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ কে এম সাইফুল মজিদ, ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স-বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান অরুণ কর্মকার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শক্তি ইনস্টিটিউটের পরিচালক প্রফেসর ড. সাইফুল হক, গ্রিনটেক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক মো. লুৎফর রহমান অংশ নেন।
ইলেকট্রিক ভেহিক্যালের ব্যবহার বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়ে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জ্বালানি হিসেবে তেল ইঞ্জিনের চেয়ে ইলেকট্রিক ইঞ্জিনের দক্ষতা অনেক বেশি। তাই ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল ব্যবহার করা লাভজনক। এটি গ্রিন এনার্জি।’