ছয় বছরে বুড়িমারী স্থলবন্দর থেকে রাজস্ব আয় ২৯ কোটি টাকা

Lalmonirhat Landport News Picture_22-02-2016লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থলবন্দরে জনবল সংকট থাকলেও গত ছয় বছরে সেখান থেকে ২৯ কোটি ৯ লাখ ৮৫ হাজার ৫৯৫ টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে। যার মধ্যে শুধু ভ্যাট থেকেই আয় হয়েছে ৪ কোটি ৬৩ লাখ ১৮ হাজার ৪২৩ টাকা।
এছাড়া ওই স্থলবন্দর থেকে পণ্য ওঠানামা, পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার, আমদানি-রফতানি গাড়ীর ওজন ফি ও গোডাউন ভাড়াসহ বিভিন্ন খাত থেকে রাজস্ব সংগ্রহ করে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
২০১০ সালে যাত্রা শুরু হওয়া বুড়িমারী স্থলবন্দরের অবকাঠামো নির্মাণ করে  পূর্ণাঙ্গ জনবল নিয়োগ করা গেলে রাজস্ব আহরণ কয়েকগুণ বৃদ্ধি করা সম্ভব বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
বুড়িমারী স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আলীমুজ্জামান বকুল জানান, স্থলবন্দরটি চালু হওয়ার পর থেকে আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রায় ছয় বছরে এখান থেকে ২৯ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে।
জানা যায়, এ স্থলবন্দর থেকে চলতি অর্থ বছরের (২০১৫-১৬) গত ৭ মাসে মোট ৭ কোটি ২৭ লাখ ৬৩ হাজার ৬৯৮ টাকা,২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৭ কোটি ৩ লাখ ২১ হাজার ৮৮ টাকা,২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৫ কোটি ২ লাখ ৭ হাজার ১২১ টাকা,২০১২-১৩ অর্থবছরে ৩ কোটি ৫৩ লাখ ২১ হাজার ৬২২ টাকা,২০১১-২০১২ অর্থবছরে ৩ কোটি ৪০ লাখ ৬২ হাজার ৩১৪ টাকা এবং ২০১০-১১ অর্থবছরে ৪ কোটি ১৫ লাখ ৩০ হাজার ৪৫০ টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে।
স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের ওয়ারহাউজ সুপার আবু মুছা মোহাম্মদ তারেক জানান, আমদানি-রফতানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্দরের শেড ও ইয়ার্ডে ট্রাক রাখার জায়গা থাকে না। আর খালি ট্রাক ও পণ্যবাহী ট্রাকের চাপে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যহত হয়।
এছাড়াও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ওয়েটব্রিজ ও কাস্টমসের সার্ভার বিকল হয়ে যায় বলেও জানান আবু মুছা।
তবে অবকাঠামো বৃদ্ধি ও প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ করা গেলে আগামীতে এ স্থলবন্দর থেকে আরও বেশি রাজস্ব আদায় সম্ভব বলে জানান বুড়িমারী স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আব্দুল কাদের জিলানী।
/এসএনএইচ