ভারতীয় পেঁয়াজের প্রথম চালান আসবে রাতে

ভারত থেকে প্রথম চালানে এক হাজার ৬৫০ টন পেঁয়াজ আজ রাতেই আসবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু। ভারত থেকে যে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে, তারই প্রথম চালান এটি। রাতে ট্রেনে করে আসছে এসব পেঁয়াজ।

রবিবার (৩১ মার্চ) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়েরে সভাকক্ষ অনুষ্ঠিত ‘দ্রব্যমূল্য ও বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা’ বিষয়ক টাস্কফোর্সের সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মাধ্যমে ঢাকা ও চট্টগ্রামে এই পেঁয়াজ ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হবে।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারের যে অবস্থাই হোক, আমাদের আগামী দুই থেকে তিন মাস অর্থাৎ কোরবানির ঈদ পর্যন্ত পণ্যের সরবরাহ, বিশেষ করে ভোজ্যতেল যথেষ্ট পরিমাণে আমদানি করা হয়েছে বা সাপ্লাই চেইনে আছে। চিনি নিয়েও আমাদের কোনও সমস্যা নাই। চিনি নিয়ে সব মিল মালিক এবং পাইকারি বিক্রেতারা আশ্বস্ত করেছেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়েও কোনও সমস্যা হবে না। বাজারে কৃষিজ উৎপাদিত পণ্যের বাজার দরও অনেকটা যৌক্তিক পর্যায়ে চলে এসেছে। কিছু পণ্যের যৌক্তিক যে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে তার থেকেও কম দামে বিক্রি করা হচ্ছে। এটা রমজানে অনেকের জন্য সাশ্রয়ী।

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, টিসিবির মাধ্যমে এক কোটি পরিবারকে যে চাল, চিনি, তেল, ডাল ও ছোলা দেওয়া হচ্ছে, এটাতে বাজারে, বিশেষ করে উপজেলা শহরগুলোতে একটি ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। সেটার একটা সুফল বাজার পাচ্ছে। একইসঙ্গে বাজারে নতুন সবজি ওঠায় সবজির বাজারেও স্বস্তি লক্ষ করছি।

‘আমাদের কৃষি বিপণন অধিদফতরের মহাপরিচালক উপস্থিত আছেন। যদিও তিনি ২৯টি পণ্যের যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণ করে সেটা প্রকাশ করায় অনেক বিতর্কের শিকার হয়েছেন। আমরা সরু চাল, চিকন চাল এবং মোটা চাল এই পদ্ধতি থেকে বের হয়ে এসে জাতভিত্তিক চালের নাম মিলার পর্যায়ে, পাইকারি পর্যায়ে বিক্রি এবং খুচরা পর্যায়ে বিক্রির একটি রূপরেখা তৈরি হয়েছে’- যোগ করেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা কৃষি মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় মিলে এটা কার্যকর করে জানিয়ে দেবো। আগামী পহেলা বৈশাখ থেকে এটা কার্যকর হবে। সবার সম্মিলিত চেষ্টায় আমরা বাজার দর সহনশীল পর্যায়ে রাখতে পেরেছি। আশা করি আগামী ঈদ পর্যন্ত এটা ধরে রাখতে পারবো।