পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে টাস্কফোর্স পুনর্গঠন, প্রধান গভর্নর

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরকে প্রধান করে দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে গঠিত টাস্কফোর্স পুনর্গঠন করা হয়েছে। এরআগে এই টাস্কফোর্সের আহ্বায়ক ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, টাস্কফোর্স প্রয়োজনে সরকারি-বেসরকারি কোনও সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে এবং কোনও দেশি-বিদেশি সংস্থার প্রতিনিধি বা বিশেষজ্ঞকে সভায় উপস্থিত হওয়াসহ মতামত বা পরামর্শ দেওয়ার অনুরোধ করতে পারবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মো. জাকির হোসেন চৌধুরী টাস্কফোর্সের কার্যাবলী সমন্বয় করবেন এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) টাস্কফোর্সকে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা দেবে।

গভর্নরকে সভাপতি করে গঠন করা এই টাস্কফোর্সের সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, আইন ও বিচার বিভাগ, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), অপরাধ তদন্ত বিভাগ, অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়, কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের একজন করে উপযুক্ত প্রতিনিধি।

এরআগে, গত ২০২২ সালের ৫ মে এ সংক্রান্ত টাস্কফোর্স গঠন করে সরকার। পরে ২০২৩ সালের ১৫ জানুয়ারি এটি পুনর্গঠন করা হয়। গতকাল রবিবার টাস্কফোর্স আবারও পুনর্গঠন করলো অন্তর্বর্তী সরকার। ২০২৩ সালের ১৫ জানুয়ারি পুনর্গঠিত টাস্কফোর্সের আহ্বায়ক ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

টাস্কফোর্সের কার্যপরিধি হবে, বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ বা সম্পদ চিহ্নিত করা ও তদন্তে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে সহযোগিতা করা। পাচার করা সম্পদ উদ্ধার করা মামলার কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত ও দূর করতে উদ্যোগ  নেওয়া, বিদেশে পাচার করা সম্পদ বাংলাদেশে ফেরত আনার উদ্যোগ নেওয়া, জব্দ বা উদ্ধার করা সম্পদের ব্যবস্থাপনার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দেশি-বিদেশি সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ, তথ্য আহরণ এবং পাচার করা সম্পদ উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট পক্ষের সক্ষমতা বাড়ানো ও অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলো সমন্বয় করা।