ঘাটতি বাজেটের পরিমাণ ৯৭ হাজার ৮৫৩ কোটি টাকা। যা জিডিপির ৫ শতাংশ।
বাজেটে বাস্তবায়নে অর্থ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বৈদেশিক অনুদান ১ দশমিক ৬ শতাংশ। বৈদেশিক ঋণ ৯ শতাংশ। অভ্যন্তরীণ অর্থায়ন ১৮ দশমিক ১ শতাংশ। কর বহির্ভূত প্রাপ্তি ৯ দশমিক ৫ শতাংশ। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বহির্ভূত কর ২ দশমিক ১ শতাংশ এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নিয়ন্ত্রিত কর ৫৯ দশমিক ৭ শতাংশ।
আরও পড়তে পারেন: উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ৪ সূত্র
সরকারের আয়ের ক্ষেত্রে বড় খাত হচ্ছে রাজস্ব আদায়। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে মোট রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪২ হাজার ৭৫২ কোটি টাকা। রাজস্ব আয়ের মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে ২ লাখ ০৩ হাজার ১৫২ কোটি টাকার কর রাজস্ব বাবদ সরকারের আয় ধরা হয়েছে। এনবিআর বহিবর্ভূত কর খাত থেকে পাওয়া যাবে ৭ হাজার ৫ হাজার ২৫০ কোটি টাকা। এ বছর এই ঘাটতি মেটাতে বৈদেশিক সহায়তা বাবদ পাওয়া যাবে ৪০ হাজার কোটি টাকা। যা জিডিপির মাত্র ১ দশমিক ৮ শতাংশ। অভ্যন্তরীণ সূত্র থেকে ধার করতে হবে ৬১ হাজার ৫৪৮ কোটি টাকা। অভ্যন্তরীন উৎস্য থেকে পাওয়া যাবে ৫৬ হাজার ৫২৩ কোটি টাকা যা জিডিপির ৩ দশমিক ৩ শতাংশ। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংক থেকে ব্যাংক থেকে ঋন নেওয়া হবে ৩৮ হাজার ৯৩৮ কোটি টাকা। যা জিডিপির ২ দশমিক ২ শতাংশ। সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য ব্যাংক বহির্ভূত খাত থেকে পাওয়া যাবে ২২ হাজার কোটি টাকা। যা জিডিপির ১ শতাংশের কিছু বেশি।
/এসআই/এমএনএইচ/