এর আগে ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ৪২২ কোটি ৭৫ লাখ টাকার বাজেট দেওয়া হয়। কিন্তু পরবর্তীতে তা সংশোধিত আকারে ২৯৫ কোটি ৩৯ লাখ টাকার বাজেট বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এর মধ্যে চলতি মাস পর্যন্ত বাজেটের ৭০ শতাংশ বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে।
সিটি করপোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থ বছরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন খাতে সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় হয়েছে। সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, অর্থ বছরের মাঝামাঝিতে বেতন বৃদ্ধির করার ফলে এই খাতে প্রায় ৪৩ কোটি ৩৫ লাখ টাকা ব্যয় হয়। সিটি করপোরেশন রাজস্ব খাতের নিজস্ব আয় থেকে উন্নয়ন খাতে ব্যয় হয় প্রায় ১৭ কোটি ৪১ লাখ টাকা।
২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটে ‘কনজারভেন্সি বিভাগে’ সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ ও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। চলমান ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে প্রস্তাবিত আয় ধরা হয়েছিল ৮৭ কোটি ৭০ লাখ ৩৪ হাজার টাকা। সংশোধিত বাজেটে অংকটি কমিয়ে ধরা হয়েছে ৫৭ কোটি ৬৪ লাখ ২২ হাজার টাকা। আসছে বাজেটে নতুন কোনও করারোপের প্রস্তাব করা হবে না। তবে বকেয়া পৌরকর আদায় এবং নবনির্মিত স্থাপনার ওপর কর ধার্য করা হবে।
জানা গেছে, নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি এবং খুলনাকে একটি সমৃদ্ধ নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে নতুন কয়েকটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হচ্ছে। মহানগরীর জলাবদ্ধতা দূরীকরণে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, খুলনা শহরে নতুন রাস্তা নির্মাণ ও পুরাতন রাস্তার উন্নয়ন, সেবক কলোনি নির্মাণ এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য রাস্তায় এলইডি ল্যাম্প স্থাপনের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ এর মধ্যে অন্যতম যা ইতোমধ্যে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির সবুজ পাতায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
আরও পড়ুন: হিলিতে চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে নারীর মৃত্যু
প্রস্তাবিত বাজেট সম্পর্কে সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র আনিছুর রহমান বিশ্বাস বলেন, আগামী ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে কেসিসি কর্তৃক একটি উন্নয়নমুখী বাজেট প্রণয়ন করা হচ্ছে। প্রস্তাবিত বাজেটে নাগরিক সেবা সম্প্রসারণ ও সেবার মান যুগোপযোগী ধারায় উন্নীত করার পরিকল্পনা থাকবে।
/এইচকে/টিএন/আপ-এআর/