বিরূপ মানে শ্রেণিকৃত ঋণ পুনঃতফসিলের মাধ্যমে নিয়মিত করার পর্যায়ে স্থগিত করতে ও অনাদায়ী সুদ আয় খাতে না নিতে ব্যাংকগুলোকে আবারও সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ ক্ষেত্রে আদায় করা প্রকৃত অংশই কেবল আয় খাতে নেওয়া যাবে।
বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা ব্যাংকগুলোর কাছে পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ২০১২ সালের এ সংক্রান্ত নির্দেশনা লঙ্ঘন হওয়ার কিছু ঘটনা জানার পর ব্যাংকগুলোকে এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সম্প্রতি কোনও কোনও ব্যাংক প্রকৃত আদায় ব্যতিরেকে পুনঃতফসিলকৃত ঋণের আরোপিত সুদ আয় খাতে স্থানান্তর করছে। এর ফলে প্রকৃত অবস্থার চেয়ে ব্যাংকের আয় বেশি মনে হচ্ছে। এতে ব্যাংকের মূলধন ভিত্তি দুর্বল হচ্ছে। এ ধরনের প্রবণতা বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০১২ সালের নির্দেশনার স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং ব্যাংকিং খাতে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলার পরিপন্থী।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, এ বিষয়ে পুনরায় স্মরণ করানো যাচ্ছে, বিরূপ মানে শ্রেণিবিন্যাসিত ঋণ হিসাব পুনঃতফসিলীকরণের মাধ্যমে বিশ্রেণীবিন্যাসিত করার পর্যায়ে স্থগিত সুদ হিসাবে রক্ষিত ও আরোপিত অনাদায়ী সুদ আয় খাতে নেওয়া যাবে না। এ ক্ষেত্রে সুদের প্রকৃত আদায়কৃত অংশই কেবল আয় খাতে হিসাব করা যাবে।
নির্দেশনার বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, পুনঃতফসিলকৃত ঋণের বিপরীতে আরোপিত সুদ প্রকৃত আদায় ব্যতিরেকে কোনভাবেই ব্যাংকের আয় খাতে স্থানান্তর করা যাবে না।