বড় ধাক্কা রফতানি আয়েও, তবে প্রবৃদ্ধি ২৩ শতাংশ

প্রবাসী আয়ের পর রফতানি আয়েও বড় ধাক্কা লেগেছে। সদ্য বিদায়ী মে মাসে ৩৮৩ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে, যা ২০২১-২২ অর্থবছরের (জুলাই-জুন) গত আগস্টের পর এক মাসে সর্বনিম্ন রফতানি আয়। অর্থাৎ টানা ৯ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন রফতানি আয় এসেছে গত মাসে। তবে আয় কমলেও গত মাসের রফতানি আয়ে ২৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুন) রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

এতে দেখা যায়, চলতি অর্থ-বছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) ৪ হাজার ৭১৭ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে। এ আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৩৪ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ বেশি।

ইপিবির তথ্য বলছে, মে মাসে রফতানি কম হলেও দেশের পণ্য রফতানির ইতিহাসে চলতি অর্থবছর রেকর্ড হতে যাচ্ছে। কারণ, চলতি অর্থবছর শেষে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পণ্য রফতানি হবে। ইতোমধ্যে রফতানি আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি হয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে পণ্য রফতানি পাঁচ হাজার কোটি ডলারের মাইলফলকে পৌঁছে যাবে।

ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, পণ্য রফতানিতে বরাবরের মতো শীর্ষস্থানে রয়েছে তৈরি পোশাক। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে ৩ হাজার ৮৫২ কোটি ডলারের পোশাক রফতানি হয়েছে। এই আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ বেশি। তৈরি পোশাকের পাশাপাশি হোম টেক্সটাইল, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষি প্রক্রিয়াজাত ও প্রকৌশল পণ্য রফতানিতে ভালো করছে বাংলাদেশ।

এদিকে সদ্য বিদায়ী মে মাসে প্রবাসীরা ১৮৮ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। গত বছরের মে মাসে তারা পাঠিয়েছিলেন ২১৭ কোটি ডলার। ফলে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় মে মাসে প্রবাসী আয় কমেছে প্রায় ১৩ শতাংশ।