দেশের বাজারে আবারও কমেছে স্বর্ণের দাম। সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। এ দিন সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, তেজাবী স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
কোন মানের স্বর্ণের দাম কত
নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২১ হাজার ৪৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯০ হাজার ১২৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩০৬ টাকা।
এর আগে সর্বশেষ গত ৯ সেপ্টেম্বর স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। তখন ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা। অর্থাৎ মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমেছে।
৯ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত দামে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ২৩ হাজার ৫৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৩১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮২২ টাকা।
অলংকারের ক্ষেত্রে যেসব নিয়ম
বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের ডিজাইন অনুযায়ী, মজুরি প্রযোজ্য হবে। বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
এ ছাড়া পুরোনো অলংকারের ক্ষেত্রে মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে এক্সচেঞ্জের সময় ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই।
পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে বাজুস নির্ধারিত এই নতুন বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে।