বাংলাদেশ গ্যাস, তেল ও খনিজসম্পদ করপোরেশন বিল সংসদে

রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলার জন্য নতুন আইনের খসড়া সংসদে তোলা হয়েছে। সামরিক আমলে প্রণীত এ সংক্রান্ত আইন বাতিল করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বাংলাদেশ গ্যাস, তেল ও খনিজসম্পদ করপোরেশন বিল-২০২২ রবিবার সংসদে তোলেন।

পরে বিলটি ১৫ দিনের মধ্যে পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

বিলে পেট্রোবাংলার অনুমোদিত মূলধন বাড়ানো হয়েছে। আগে এর পরিমাণ ছিল ২০০ কোটি টাকা। খসড়া আইনে এটি পাঁচ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে। আর পরিশোধিত মূলধন করা হয়েছে ২০০ কোটি টাকা।

করপোরেশনের চেয়ারম্যানসহ ১০ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদ থাকবে বলে বিলে বলা হয়েছে।

বিলে বলা হয়েছে, করপোরেশন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি, বিপণন, রফতানি ও ব্যবস্থাপনা করবে। বিদ্যামান আইন যখন করা হয়, এলএনজি বা সিএনজি ধারণা ছিল না।

১৯৮৫ সালে এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ অয়েল অ্যান্ড গ্যাস করপোরেশন (বিওজিসি) ও বাংলাদেশ মিনারেল এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনকে (বিএমইডিসি) একীভূত করে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ করপোরেশন (বিওজিএমসি) গঠন করা হয়।

১৯৮৯ সালে এই করপোরেশনকে ‘পেট্রোবাংলা’ নামে সংক্ষিপ্তভাবে নামকরণ করা হয়।  নতুন খসড়া আইনে ‘পেট্রোবাংলা’ নামটি রাখা হয়েছে।

নতুন আইনে বলা হয়েছে, এ আইনে কোম্পানি গঠন করতে হবে কোম্পানি আইন অনুযায়ী এবং করপোরেশন তার অধীনস্ত শেয়ার বা স্বত্ত্ব ধারণ করতে পারবে। করপোরেশন সরাকারি অনুমোদনক্রমে ব্যাংকে মেয়াদী আমানত বা অন্য কোনো জ্বালানি সংশ্লিষ্ট লাভজনক খাতে বিনিয়োগ করতে পারবে।

করপোরেশন সরকারের অনুমোদন নিয়ে বৈদেশিক ঋণ নিতে পারবে বলে বিলে বিধান রাখা হয়েছে।

খসড়া আইনে বলা হয়েছে, সরকারে অনুমোদন নিয়ে এবং শর্তসাপেক্ষে বিভিন্ন কোম্পানিতে থাকা সরকারি শেয়ার ক্রয়, বিক্রয় ও অন্য কোনোভাবে হস্তান্তর করতে পারবে করপোরেশন।