অনু্ষ্ঠানে ‘ট্রেড ইন সার্ভিসেস: বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের প্রতি বিদেশি পর্যটকদের দৃষ্টিভঙ্গি: বিদেশি পর্যটকদের ওপর পরিচালিত গবেষণা’ শীর্ষক গবেষণাপত্র উপস্থাপন করে যৌথভাবে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট, বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইন্সিটিটিউট এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট।
পর্যটনমন্ত্রী বলেন, সরকার বাংলাদেশকে এমনভাবে সাজাতে চায়, যেন বিশ্ববাসী এক নতুন বাংলাদেশকে দেখতে পারে। ইতোমধ্যে বিশ্বের চেইন হোটেলগুলো বাংলাদেশে আসতে শুরু করেছে। যা দেশে পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধির স্মারক। সরকার ইকো ট্যুরিজম, হেলথ ট্যুরিজম ও আর্কিওলোজিক্যাল ট্যুরিজমের প্রসারে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. সবুর খান বলেন, যথাযথ উদ্যোগ নিলে গার্মেন্টস সেক্টরের পরে পর্যটন শিল্প বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অন্যতম উৎস হতে পারে। ভৌগলিক অবস্থানগত দিক থেকে পর্যটন বাংলাদেশের জন্য একটি অপার সম্ভাবনাময় খাত।
যৌথ গবেষণার মাধ্যমে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের প্রতি বিদেশিদের মনোভাব এবং আগ্রহের ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরা হয়। গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে বিএফটিইয়ের গবেষণা সহযোগী শোয়েব আক্তার, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির লেকচারার বিপাশা মতিন, প্রশেনজিৎ সাহা, কামরুজ্জামান ও অস্ট্রেলিয়ার মোনাস ইউনিভার্সিটি মিস সামিনা আলী।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন এবং পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রফিকুজ্জামান, বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইন্সিটিটিউটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলী আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. সাকের আহমেদ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. ইউছুফ এম. ইসলাম, এমিরিটার্স প্রফেসর ড. আমিনুল ইসলাম, বানিজ্য ও অর্থনীতি অনুষদের ডিন প্রফেসর রফিকুল ইসলাম, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি বিভাগের প্রধান মাহবুব পারভেজ, ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি প্রফেসর ড. আকবর উদ্দিন আহমেদ, ইতেহাদ এয়ার ওয়েজের মহাব্যবস্থাপক হানিফ জাকারিয়া, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আকতারুজ্জামান খান কবির প্রমুখ।
/সিএ/এমএনএইচ/