বিসিসিসিআইয়ের ১৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সংগঠন ‘বাংলাদেশ চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিসিসিসিআই)’র ১৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিসিসিসিআই’র সভাপতি গাজী গোলাম মুর্তজার সভাপতিত্বে বুধবার (২১ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে সংগঠনটির এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বাংলাদেশ ও চীন এই দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বাধা দূর করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) চায়না চেম্বার থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়েছে।

এ সময় গাজী গোলাম মুর্তোজা বলেন, ‘২০০৩ সাল থেকে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে এই চেম্বার।’

চীনের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান বলেন, ‘বিদেশি বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ একটি বিনিয়োগ সম্ভাবনাময় জায়গা।’

তিনি বলেন, ‘পণ্য ও রফতানিতে বৈচিত্র্য আনতে আমরা ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলবো। তাই এখানে বিনিয়োগের বিশাল সুযোগ রয়েছে।’ বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান বলেন, ‘বাণিজ্য ও বিনিয়োগের আরও প্রচারের জন্য বিসিসিসিআইয়ের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কাজ করবে।’

মুর্তোজা বলেন, ‘বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সেতুবন্ধ বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে।’

সভায় বিসিসিসিআইয়ের যুগ্ম মহাসচিব আল মামুন মৃধা বলেন, ‘তাদের উদ্ভাবনী কার্যক্রমের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক সর্বোচ্চ পর্যায়ে এসেছে। তবে মহামারি চলাকালীন আমরা অনলাইন এবং অফলাইনে বেশ কয়েকটি ইভেন্টের ব্যবস্থা করেছি। আমরা নীতি ও বাণিজ্য নিয়ে সরকারি এবং বেসরকারি স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। আমরা আশা করি, আগামী দিনগুলোতে চীনের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের জন্য চীনের বাজারে একটি বড় সুযোগ রয়েছে।’

চায়নিজ এন্টারপ্রাইজেস অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশের (সিইএবি) সভাপতি কে চাংলিয়াং বলেন, ‘বাংলাদেশের অবকাঠামোর ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। চীনের অনেক কোম্পানি এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য আমরা বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছি। আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ককে আরও গতিশীল করছি। চীনের বাজারে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের দারুণ সুযোগ রয়েছে।’