গভর্নর বলেন, ২০০৯ সালে ব্যাংকিং খাতে মোট ঋণের ১৯ শতাংশই ছিল মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প বা এমএসএমই ঋণ। তা বর্তমানে ২৪ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।
তিনি বক্তব্যে উল্লেখ করেন, গেল বছর (২০১৫) সাত লাখ পঁচিশ হাজার উদ্যোক্তার মধ্যে বিতরণকৃত এমএসএমই ঋণ ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৭০ কোটি টাকার ৫২ শতাংশই গেছে সাড়ে ছয় লাখ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার হাতে। এ ঋণের মধ্যে দেড় লাখের বেশি নারী উদ্যোক্তা পেয়েছেন ৪ হাজার ২২৭ কোটি টাকা। এছাড়া সোয়া এক লাখ নতুন উদ্যোক্তা পেয়েছেন সাড়ে বিশ হাজার কোটি টাকার বেশি।
এসময় গভর্নর বলেন, ‘মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোতে অব্যাহত অর্থায়ন ও নতুন নতুন উদ্যোক্তাকে ব্যাংক অর্থায়নের আওতায় আনার ফলে গত ছয় বছরে এমএসএমই খাতে ১৫ লাখের বেশি নতুন কর্মসংস্থান হয়েছে।’
গাজীপুরের শফিপুর আনসার একাডেমি অডিটরিয়ামে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. নাজিম উদ্দীন পিএসসি। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ড. এম আসলাম আলম।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থায়নের আওতায় আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক গত অর্থবছরে কৃষি খাতে একশ কোটি টাকা বিতরণ করে। এছাড়া, বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় ৫ শতাংশ সুদহারে দুগ্ধ উৎপাদন ও কৃত্রিম প্রজনন খাতে এরইমধ্যে ১৫ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করতে সক্ষম হয়েছে।
/জিএম/এনএস/ এএইচ/