ব্যবসায়ীরা কথা না রাখলে দোকান বন্ধ করে দেবো: ভোক্তার ডিজি

ভাউচার নিয়ে ব্যবসায়ীদের ভাঁওতাবাজি চলবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) এ এইচ এম সফিকুজ্জামান। তিনি বলেছেন, ক্রেতাদের পণ্যের ভাউচার দিতে হবে। ভাউচার নিয়ে ভাঁওতাবাজি চলবে না।

বুধবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে টিসিবি ভবনে ভোক্তা অধিদফতরের সভাকক্ষে পবিত্র রমজান উপলক্ষে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

সফিকুজ্জামান বলেন, ব্যবসায়ীরা আমাদের কমিটমেন্ট দিয়েছেন, ভাউচার দেবেন। কমিটমেন্ট ভঙ্গ করলে আইনি ব্যবস্থা নেব। কথা না রাখলে দোকান বন্ধ করে দেবো।

তিনি আরও বলেন, অযৌক্তিকভাবে বাজারে চালের দাম বাড়ানো হয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ধানের দাম বেড়েছে। যেসব চাল বাড়তি দামে বিক্রি করা হচ্ছে, সেগুলো আগের কেনা ধানের চাল।

ভোক্তা অধিদফতরের ডিজি বলেন, বাজারে গিয়ে একসঙ্গে মাসের বাজার করলে সাপ্লাই চেইনে প্রভাব পড়বে। কিন্তু এক সপ্তাহর বাজার করলে তেমন প্রভাব পড়ে না সাপ্লাইয়ে।

তিনি বলেন, রমজানের প্রথম দিকে হঠাৎ পণ্যের দাম বেড়ে যায়, আবার রমজানের মাঝে পণ্যের দাম কমে যায়। অনেক অ্যানালাইসিস করে আমরা জানতে পেরেছি, বাজারে রফতানি পণ্যের কোনও ঘাটতি নেই। কিন্তু আমাদের চরিত্রের কারণে, বাড়তি পণ্য কেনার কারণে সাপ্লাই চেইনের প্রভাব পড়তে পারে। বাজার থেকে এক সপ্তাহের পণ্য কিনলে বাজারের সাপ্লাইয়ের প্রভাব পড়ে না।

ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে মহাপরিচালক বলেন, যেসব ব্যবসায়ী বাজারে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখবেন, তাদের ভোক্তা দিবসে পুরস্কৃত করা হবে। আর যারা বাজারে দাম বাড়াবে, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা আমাদের কৌশল পরিবর্তন করেছি। আমরা গোপনে কাজ করছি। এবার খুচরা ব্যবসায়ী আর পাইকারদের ধরবো না। মার্কেট ও বাজার কমিটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো।

মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক মো. এনায়েত উল্লাহ, দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন এবং কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) কোষাধ্যক্ষ ড. মো. মঞ্জুর-ই-খোদা তরফদার প্রমুখ।