সমুদ্র ও নৌবন্দরভিত্তিক শিপিং এজেন্ট লাইসেন্স ইস্যুতে প্রতিযোগিতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ‘শিপিং এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালা-২০২৫’ জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এ বিষয়ে ৩০ ডিসেম্বর একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এনবিআর জানায়, এতদিন শিপিং এজেন্ট লাইসেন্স ইস্যুর জন্য কোনও স্বতন্ত্র বিধিমালা না থাকায় ‘কাস্টমস এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালা-২০২০’ অনুসরণ করা হতো। শিপিং এজেন্ট সংক্রান্ত কার্যক্রম আরও সহজ, যুগোপযোগী ও ব্যবসাবান্ধব করতে আলাদা বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।
কী সুবিধা থাকছে নতুন বিধিমালায়
নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, কাস্টমস স্টেশনভিত্তিক শিপিং এজেন্ট লাইসেন্সের সংখ্যা নির্ধারণে আর জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পূর্বানুমোদন প্রয়োজন হবে না। এতে লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ আগের তুলনায় কম সময়ের মধ্যেই লাইসেন্স প্রদান করতে পারবে।
এ ছাড়া শিপিং এজেন্ট লাইসেন্স পেতে আবেদনকারীকে আর কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট ট্রেনিং অ্যাকাডেমির লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে না। দাখিল করা কাগজপত্র যাচাই সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে লাইসেন্স ইস্যু করা হবে।
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো— আগের বিধিমালায় একটি কাস্টমস স্টেশন থেকে ইস্যুকৃত শিপিং এজেন্ট লাইসেন্স শুধুমাত্র ওই স্টেশনের অধীন সমুদ্র বা নৌবন্দরে কার্যকর ছিল। নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, একবার লাইসেন্স পেলে সারা দেশের যে কোনও সমুদ্র বা নৌবন্দরে শিপিং এজেন্ট হিসেবে ব্যবসা পরিচালনা করা যাবে।
এনবিআর বলছে, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও সহজ করতে সংস্থাটির এ ধরনের সংস্কারমূলক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।