বৃহস্পতিবার (৩ মে) ঢাকা ক্লাবে ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স আয়োজিত এক সেমিনারে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির সুযোগ এবং চ্যালেঞ্জ নিয়ে সেমিনারটি আয়োজন করে জ্বালানি সাংবাদিকদের সংগঠন ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স।
প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ‘সরকার পরিচালনা করে যারা, তাদের পক্ষে বিশেষজ্ঞদের মতামত দেওয়া সম্ভব না। যারা এইখাতে কাজ করে তারাই বিশেষজ্ঞ।’ এক্ষেত্রে তাদের পক্ষে কেন ঠিক সময়ে ঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হলো না এমন প্রশ্ন তোলেন মন্ত্রী।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা গ্যাসক্ষেত্রে স্কাডা পদ্ধতি (গ্যাস সরবরাহ পর্যবেক্ষণে বিশেষ পদ্ধতি) চালুর কথা বলছি, কিন্তু কেউ রাজি নয়। এখানে সরকারের দুর্বলতা নেই। কিন্তু যারা এখাতে কাজ করেন, তারাই চান না স্কাডা চালু হোক। বেশি বেতনে ভালোমানের লোক নিয়ে কাজ করতে বলেছি। কিন্তু, বাপেক্স কোনোভাবেই রাজি নয়। সরকার সিদ্ধান্ত নিতে পারে, কিন্তু কাজ করতে হবে তাদের। যারা এই খাতের কর্মকর্তা রয়েছেন।’
জ্বালানি বিভাগের চেয়ে বিদ্যুৎ বিভাগ অনেক এগিয়ে রয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের বিদ্যুৎখাতে স্বল্প মেয়াদি প্রকল্প শেষ হয়েছে। মধ্য মেয়াদি প্রকল্পগুলোর কাজ শেষের পথে। আর বড় প্রকল্পগুলো এরমধ্যে অনেকটা কাজ হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘বিদ্যুৎ উৎপাদনে এখন ৩৬ ভাগ জ্বালানি তেল ব্যবহার হচ্ছে। আগামী চার-পাঁচ বছরের মধ্যে ১০ ভাগে নেমে আসবে।’
সেমিনারে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা অধ্যাপক ম তামীম, জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শামসুল আলম, পেট্রোবাংলার সাবেক পরিচালক মুক্তাদির আলী, জিটিসিএল এর সাবেক পরিচালক সালেক সুফি বক্তব্য রাখেন। সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক অরুন কর্মকার।