বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটি ও ব্লু প্লানেট ইনিশিয়েটিভ (বিটিআই) যৌথভাবে এই সেমিনারের আয়োজন করে।
সেমিনারে অন্যদের মধ্যে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এমএম আকাশ, বদরুল ইমাম, নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিশেষজ্ঞ সাজিদ কামাল, সাইফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
সুলতানা কামাল বলেন, ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ঝুঁকি ও দূষণ দুইই কম। অথচ আমরা এ ক্ষেত্রে তেমন কিছুই করতে পারছি না।অনিয়ম, দুর্নীতি আর রাজনৈতিক স্বেচ্ছাচারিতা এই খাতকে মাথা তুলে দাঁড়াতে দিচ্ছে না।আমাদের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক দিকগুলোর সম্ভাবনা খুঁজতে হবে। জনগণকে প্রাধান্য দিতে হবে।’
সড়ক দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে সুলতানা কামাল বলেন, ‘সড়কে গাড়ি যেভাবে চলার কথা, সেভাবে চলছে না। যে নিয়মতান্ত্রিকতা দরকার, সেটা করা যাচ্ছে না। কারণ এ খাতে এমন একজন কেউ আছেন, যিনি এখান থেকে নানাভাবে সুবিধা নেই। অনেক ক্ষেত্রেই সচেতনতামূলক প্রোগ্রাম হাতে নেওয়া হয়। কিন্তু রাস্তার সচেতনতা বাড়াতে তেমন পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। সেটার পেছনে নিশ্চয় কোনও স্বার্থ আছে।’
অনুষ্ঠানে বদরুল ইমাম বলেন, ‘কয়লা, তেল, গ্যাস একদিন হারিয়ে যাবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি হারাবে না। কিন্তু আমাদের দেশের বাস্তবতা ভিন্ন, এখানে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে না। ২০২১ সাল নাগাদ জাতীয় গ্রিডে মোট ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ করবে সরকার।সেখানে ১০ ভাগ সোলার থেকে উৎপন্ন হবে।’
সেমিনারে এম এম আকাশ বলেন, ‘সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে না গিয়ে একটি নির্দিষ্ট শ্রেণির স্বার্থরক্ষার জন্য গ্যাস ও কয়লায় জোর দিচ্ছে।আমরা গ্যাস দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পক্ষে নই।এছাড়া কয়লার ব্যবহারও যতটা সম্ভব কমাতে হবে।আর রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোনোভাবেই করতে দেওয়া ঠিক হবে না।’