এরআগে, গত ১৬ ডিসেম্বর তেল গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলন কোম্পানি বাপেক্সের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতে যাওয়ার জন্য চিঠি দিয়েছিল সকার। চিঠিতে কোম্পানিটি ক্ষতিপূরণ ও বকেয়া বাবদ প্রায় ১৪০ কোটি টাকা দাবি করে কোম্পানিটি।
রবিবার অনুষ্ঠিত বৈঠক সূত্র জানায়, প্রতিমন্ত্রী সকারের প্রতিনিধিদের বক্তব্য শুনেছেন। তিনি বলেছেন, ‘বিষয়টি নিষ্পত্তি করবে বাপেক্স।’ তাই সকারকে তিনি বাপেক্সের সঙ্গে আলোচনা করতে অনুরোধ জানান। একইসঙ্গে বাপেক্সর ব্যবস্থাপনা পরিচালককে সমস্যা সমাধানের উপায় খুঁজতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।
বৈঠক সূত্র আরও জানায়, বাপেক্স ও সকারের চুক্তি অনুযায়ী একটি পজিশন পেপার (দুই পক্ষের অবস্থান) তৈরিও নির্দেশ দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।
প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের জুলাইয়ে খাগড়াছড়ির সেমুতাং-১, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ-৪ ও জামালপুরের মাদারগঞ্জ-১—এই তিনটি গ্যাস কূপ খননের জন্য চুক্তি করে আজারবাইজানের সকারের সঙ্গে বাপেক্স।
চুক্তির পর কাজ শুরু করে ২০১৮ সালে খাগড়াছড়ির সেমুতাং-১ গ্যাস কূপখনন শেষে কোনও গ্যাস পায়নি সকার। কিন্তু বাপেক্সের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনও অভিযোগ তোলা হয়নি। সমস্যা শুরু হয় দুই নম্বর কূপখনন কাজ শুরু করার সময়। সেমুতাং থেকে বেগমগঞ্জ-৪-এর রিগ ও মালামাল নিয়ে কাজ শুরুর প্রস্তুতি নেয় সকার। কিন্তু বাপেক্সকে বারবার তাগিদ দেওয়ার পরও তারা বিলে অনুমোদন দেয়নি। একপর্যায়ে চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় বাপেক্স। সকার সবকিছু মেনেও নেয়। চুক্তি বাতিল করলে সকারকে যে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা তা দিতে চাচ্ছে না বাপেক্স। আর এ নিয়েই বিরোধে জড়িয়েছে দুই পক্ষ।