প্রধান অতিথির তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর আইপিপি নীতি গ্রহণ করা হয়। তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্রুত বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বার্জ মাউন্টটেন্ড বিদ্যুৎ নিয়ে আসেন। এছাড়া ক্যাপটিভ নীতি করে শিল্পে বিদ্যুৎ দেওয়া হয়। তখন আইপিপি করার ক্ষেত্রে সরকারের মধ্যেও দ্বিধা ছিল। তৎকালীন অর্থ সচিব আকবর আলী খান আইপিপি করাকে আত্মঘাতী হবে উল্লেখ করে অর্থ দিতে চাননি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাধারণ মানুষের উন্নয়নের কথা চিন্তা করে এসব সমস্যার সমাধান করেন। এরপর ২০০৯ সালে আবার বিদ্যুৎ সংকটের মধ্যে সরকার দায়িত্ব নিলো। তখন থেকে নানা রকম নীতির পরিবর্তন করে সরকার বিদ্যুৎ খাতের সংস্কার করে আজকের এই অবস্থায় পৌঁছেছে।
সেমিনারে বিদ্যুৎ জ্বালানি খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর ভঙ্গুর বিদ্যুৎ খাতের পুনর্গঠন চ্যালেঞ্জিং বিষয় ছিল। তখন সরকার বেসরকারি খাতের অংশ গ্রহণ নিশ্চিত করে। এরপর ২০০০ সালে আবার জামাত বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর বিদ্যুৎ খাতকে অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছে। এতে করে দেশ ৫০ বছর পিছিয়ে গেছে। তখন লোডশেডিং এর জন্য রাস্তায় মিছিল হয়েছে। ২০০৯ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে আওয়ামী লীগ ২০২১ সালের মধ্যে সবার ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার করে। ইতোমধ্যে আমরা গ্রিডের বিদ্যুৎ ৯৯ ভাগ মানুষের ঘরে পৌঁছে দিয়েছি। আশা করছি আগামী মার্চের মধ্যে ১০০ ভাগ মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়া সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন। তিনি বলেন, এখন দেশে ৯৯ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা পাচ্ছে। মুজিববর্ষের মধ্যে শতভাগ মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া হবে। এখন আমাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২৪ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে।
এফইআরবির এর চেয়ারম্যান অরুন কর্মকারের সভাপতিত্বে সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের সংগঠন বিপ্পার সভাপতি ইমরান করিম। সেমিনার সঞ্চালনা করেন এফইআরবির নির্বাহী পরিচালক শামীম জাহাঙ্গির।