জ্বালানিতে বঙ্গবন্ধু যে ভিত গড়েছিলেন, তা বাড়ছেই: নসরুল হামিদ

‘টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থা গড়ার নেপথ্যের কাজ সাফল্যের সঙ্গেই সম্পন্ন হয়েছে। চাহিদা মোতাবেক তেল-গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। আবাসিক ব্যবহারের জন্য এলপিজি সহজলভ্য করার উদ্যোগও চলমান। পাঁচটি গ্যাসক্ষেত্র কিনে বঙ্গবন্ধু জ্বালানি নিরাপত্তার যে ভিত রচনা করেছিলেন, তা ক্রমেই বাড়ছে।’

রবিবার (৮ আগস্ট) এনার্জি এন্ড পাওয়ার ম্যাগাজিন আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধুর জ্বালানি কৌশল ও আমাদের জ্বালানি নিরাপত্তা’ শীর্ষক ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

ম্যাগাজিনের সম্পাদক মোল্লাহ আমজাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে ছিলেন- বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের সদস্য (গ্যাস) মকবুল-ই-ইলাহী চৌধুরী, পলিসি রিসার্চ ইনিস্টিটিউট অব বংলাদেশ-এর নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর, পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ হোসাইন ও অস্ট্রেলিয়ার আরএমআইটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. ফিরোজ আলম।

ওয়েবিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ খন্দকার আব্দুস সালেক।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাপেক্সকে গতিশীল করা হয়েছে। বাপেক্স আবিস্কৃত গ্যাস ক্ষেত্রগুলোতে ১ দশমিক ৬ টিসিএফ গ্যাস মজুত আছে। জ্বালানির কার্যক্রমে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হচ্ছে। সর্বোপরি জ্বালানি নেটওয়ার্ক বাড়ানোর কাজ অব্যাহত রয়েছে। আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রেও নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ চলমান।’

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, কোভিড পরিস্থিতিতেও বিদ্যুৎ ও জ্বালানির কার্যক্রম বাস্তবায়ন অব্যাহত রয়েছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে ২০২০-২০২১ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ১০৪ দশমিক ২৭ ভাগ বাস্তবায়ন করেছে।