জলবায়ু পরিবর্তনের সাপেক্ষে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মসৃণ রূপান্তর, মহেশখালী-মাতারবাড়ী সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি এই তিন খাতে জাইকা আরও অবদান রাখতে চায়। কয়েকটি বেসরকারি জাপানিজ কোম্পানি বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী বলেও জানিয়েছে জাইকা।
বুধবার (১৫ মে) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের সঙ্গে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট কোইচেরো নাকাজায়া। এসময় তিনি এই আগ্রহ প্রকাশ করেন। তারা পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
সভায় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মাহবুব হোসেন ও বাংলাদেশের জাইকার প্রধান প্রতিনিধি ইউহো হয়োকায়া উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে জাইকার ভাইস প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে কাজ করতে পারায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, অবকাঠামো নির্মাণে জাইকা আরও অবদান রাখতে পারে। ২০৪১ সালের লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সঙ্গে শিল্পের বৈচিত্র্যময়তা বাড়ানো প্রয়োজন। মধ্যম আয়ের দেশের জন্য নগরায়ন একটি চ্যালেঞ্জ। জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে যাওয়াও বেশ কঠিন। জলবায়ু পরিবর্তনের সাপেক্ষে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মসৃণ রূপান্তর, মহেশখালী-মাতারবাড়ী সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি এই তিনটি খাতে জাইকা আরও অবদান রাখতে চায়। জাপানের কয়েকটি বেসরকারি কোম্পানি বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী।
প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে জাইকার অবদান স্মরণ করে বলেন, জাপান বাংলাদেশের পরিক্ষিত বন্ধু। ২০৪১ সালের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাপানের আরও সহযোগিতা চাই আমরা। সমন্বিত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মহা-পরিকল্পনায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর বিষয়টি থাকতে পারে। প্রতিমন্ত্রী এ সময় সক্ষমতা বৃদ্ধির আওতায় জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিতে জাইকার ভাইস প্রেসিডেন্টকে অনুরোধ করেন।