‘জ্বালানি সাশ্রয়ে স্থপতিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন’

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, পরিবেশবান্ধব স্থাপনা তৈরি করে জ্বালানি সাশ্রয়ে স্থপতিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। বাংলাদেশের আবহাওয়া উপযোগী উপকরণ ও উপাদান ব্যবহার করে স্থাপনাগুলোকে আরও টেকসই ও পরিবেশবান্ধব করা যেতে পারে। স্থাপনাগুলো যদি বাংলাদেশের পরিবেশ ও প্রতিবেশের উপযোগী হিসেবে তৈরি হয়, তবে তাতে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত জ্বালানি সাশ্রয় হতে পারে।

রবিবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন অব আর্কিটেক্টসের সভাপতি জোসে লুইস কোর্তেজের সম্মানে এবং বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউটের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ‘সুবর্ণ আসর : বন্ধন ও বন্ধুত্ব’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, প্রকৃতি ও প্রযুক্তির সমন্বয়ে জ্বালানি সাশ্রয়ী, কার্বন নিরপেক্ষ আগামীর বাংলাদেশ গড়তে দারুণ ভূমিকা রাখবেন স্থপতিরা।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকাসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আগত স্থপতিদের সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউটের সভাপতি স্থপতি মোবাশ্বের হোসেনের সভাপতিত্বে অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন অব আর্কিটেক্টসের সহসভাপতি নাতালি মোসিন, সহসভাপতি টকুনবো, সহসভাপতি ইশতিয়াক জহির তিতাস, সেক্রেটারি জেনারেল তাং পেই ইং এবং অন্য কাউন্সিল মেম্বাররা।