হেলে পড়েছে বৈদ্যুতিক খুঁটি। বাঁশ দিয়ে কোনও রকমে পতন ঠেকানো হয়েছে। প্রায় এক মাস ধরে দুই খুঁটির মাঝখানে থাকা ট্রান্সফরমারসহ বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইন এভাবেই সচল রাখা হয়েছে। এমন দৃশ্য পুরান ঢাকার ৪২ নং ওয়ার্ডের কলতাবাজার কাউন্সিলর গলির বাম দিকের রাস্তার। হেলে পড়া খুঁটি পড়ে গিয়ে যে কোনও সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, একাধিক বার বিদ্যুৎ অফিসে ঝুঁকিপূর্ণ খুঁটির বিষয়ে জানানো হলেও মেলেনি কোনও সাড়া। বিদ্যুৎ অফিসের লাইনম্যান অপারগতা জানিয়ে অফিসে যোগাযোগ করতে বলেছেন। কিন্তু অফিসে বেশ কয়েকবার যোগাযোগ করার পরও কোনও সমাধান হয়নি।
কলতাবাজারের স্থানীয় বাসিন্দা হাজী মোহাম্মদ নান্টু মিয়া বলেন, বিদ্যুৎ অফিসে এই সমস্যা নিয়ে অনেকবার অভিযোগ জানিয়েছি। তাদেরকে অনুরোধও করেছি। কিন্তু তারা কোনও সাড়া দেয়নি। এই গলির ট্রান্সফরমারে মাঝেমধ্যেই হুট করে আগুন জ্বলে উঠে। ভাগ্য ভালো বড় কোনও দুর্ঘটনা ঘটেনি। দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই এই ট্রান্সফরমার আর বৈদ্যুতিক খুঁটি দুটি বাঁশের উপর ভর দেওয়া। কখন যে কী হয় কেউ বলতে পারে না।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও কলতাবাজারের বাসিন্দা শ্যামা বলেন, ‘আমরা সবাই আতঙ্কে আছি, না জানি কখন কোন দুর্ঘটনা ঘটে। প্রতিনিয়ত এখান দিয়ে আসা-যাওয়া করি। তাছাড়া পাশের বিল্ডিংয়েই আমরা থাকি। বড় কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে এখানকার সবাই শেষ হয়ে যাবে। এতো করে বলার পরও বিদ্যুৎ অফিস এই সমস্যা আমলে নিচ্ছে না। কোনও দুর্ঘটনা ঘটার আগেই তাদের উচিত এসব সমস্যার সমাধান করা।’
এ বিষয়ে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের সেন্ট্রাল জোনের বাংলাবাজার বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী আমাদেরকে অভিযোগ জানালে আমরা তা পরিদর্শন করে অবশ্যই দ্রুত সময়ের মধ্যে সমাধানের চেষ্টা করি। বাঁশের পর ট্রান্সফরমারের ঘটনাটি আপনার কাছ থেকে শুনেছি। এ ব্যাপারে জানা ছিল না।’