জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং বাজারে কোনও ধরনের অনিয়ম ঠেকাতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে জ্বালানি মন্ত্রণালয়।
এ সংক্রান্ত এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের প্রেক্ষাপটে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী জ্বালানি তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে অবৈধ মজুতের চেষ্টা করছে বলে বিভিন্ন মাধ্যমে খবর পাওয়া যাচ্ছে। এ অবস্থায় সরকার যানবাহনভিত্তিক জ্বালানি তেল বিক্রির পরিমাণ নির্ধারণ করলেও কিছু পেট্রোল পাম্পে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি, অতিরিক্ত মজুত এবং খোলা বাজারে বিক্রির প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এসব অনিয়ম ঠেকাতে অবৈধ মজুত, অতিরিক্ত দামে বিক্রি ও পাচার রোধে সারাদেশে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করা হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় রাজধানীর তেজগাঁও ও মহাখালী এলাকার কয়েকটি পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জ্বালানি তেলের মজুত ও সরবরাহ পরিস্থিতি পরিদর্শন করেছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
রবিবার (৮ মার্চ) জ্বালানি মন্ত্রণালয় পরিচালিত এ অভিযানে দেখা যায়, কিছু পাম্পে তেল না থাকায় বিক্রি বন্ধ রয়েছে, আবার কিছু পাম্পে নিয়ম মেনে তেল সরবরাহ চলছে।
অভিযানে দেখা যায়, তেজগাঁওয়ের সিটি ফিলিং স্টেশন গতকাল থেকে তেলশূন্য (ড্রাই) রয়েছে। তবে কিছুক্ষণের মধ্যে তেল আসলে বিক্রি চালু করা হবে বলে জানানো হয়েছে। একই এলাকার আরএস এন্টারপ্রাইজ ও রয়েল ফিলিং স্টেশনও গত রাত থেকে তেলশূন্য রয়েছে।
অন্যদিকে তেজগাঁওয়ের ক্লিন ফুয়েল ফিলিং স্টেশনে সব নিয়ম মেনে তেল বিক্রি চালু রয়েছে বলে ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে।
মহাখালী এলাকার পাম্পগুলোর মধ্যে তশোফা ফিলিং স্টেশনে তেল না থাকায় বিক্রি বন্ধ রয়েছে। তবে ইউরেকা ফিলিং স্টেশনে সব নিয়ম মেনে জ্বালানি তেল সরবরাহ চালু আছে।
এদিকে মহাখালীর সোহাগ ফিলিং স্টেশনে ৩ হাজার ৫০০ লিটার অকটেন মজুত করে রাখা হয়েছিল। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিমাপ নিয়ে পরে পাম্পটি পুনরায় চালু করার নির্দেশ দেয়। তবে পাম্পটিতে বিপিসির প্রেস রিলিজ ঝুলানো ছিল না বলেও জানা গেছে।