জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত রোধে সচেতনতামূলক প্রচারণা

দেশে জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুতকে কেন্দ্র করে জনসচেতনতা বাড়াতে নতুন করে সতর্কবার্তা দিয়েছে সরকার। জানানো হয়েছে, পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের মতো জ্বালানি তেল অত্যন্ত দাহ্য পদার্থ হওয়ায় এগুলো ঘরে বা অনিরাপদ স্থানে মজুত করা ঝুঁকিপূর্ণ এবং প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। অবৈধ মজুতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, নিরাপত্তার স্বার্থে কোনও ধরনের অবৈধ মজুত থেকে বিরত থাকার জন্য সবাইকে আহ্বান জানানো হচ্ছে। একইসঙ্গে এ ধরনের কর্মকাণ্ড রোধে দেশজুড়ে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

সরকার ইতোমধ্যে অবৈধ জ্বালানি তেল মজুদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা জোরদার করেছে। প্রতিটি জেলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে এবং অভিযানে জড়িতদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সরকারি সূত্র বলছে, অতিরিক্ত লাভের আশায় কেউ যেন জ্বালানি তেল মজুদ না করে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি জনগণকে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সরকার আরও নিশ্চিত করেছে, দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে এবং চাহিদা অনুযায়ী নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাই অপ্রয়োজনীয়ভাবে তেল মজুদ না করে নিরাপদ ও দায়িত্বশীল আচরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।