দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৬৩ শতাংশই ডিজেল। এ খাতে বর্তমানে কোনও ঘাটতি নেই। দেশে প্রায় এক লাখ ৩৩ হাজার টন ডিজেলের উদ্বৃত্ত মজুত রয়েছে। সোমবার (৩০ মার্চ) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব মুনির হোসেন এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, “ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বাড়ছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে চাপ সৃষ্টি হয়েছে। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে কিছু কার্গো বিলম্বিত হওয়ায় বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে একাধিক অকটেন ও ডিজেলের চালান দেশে পৌঁছায়নি, যা সরবরাহ ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করেছে।”
জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব বলেন, “মার্চ মাসজুড়ে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ বজায় রাখা হয়েছে। এমনকি, ঈদকে সামনে রেখে কিছু ক্ষেত্রে সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে।”
সরকারি হিসাবের তথ্য দিয়ে মুনির হোসেন জানান. মার্চের মাঝামাঝি পর্যন্ত ডিজেল ও অকটেন সরবরাহ চাহিদার তুলনায় কিছুটা বেশি ছিল। যদিও পেট্রোলে সামান্য ঘাটতি দেখা গেছে। তবে, সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনও মৌলিক সংকট নেই।
আগামী দিনগুলোতে নতুন কার্গো আসার মাধ্যমে পরিস্থিতি আরও স্বাভাবিক হবে বলে আশা প্রকাশ করছে জ্বালানি বিভাগ। তবে, বৈশ্বিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে ভবিষ্যৎ সরবরাহে অনিশ্চয়তা থাকতে পারে বলেও সতর্ক করেছে তারা।