তিন মাসে এলপিজির কাঁচামালের দাম কত বাড়লো?

এলপিজির প্রধান দুই কাঁচামাল প্রোপেন ও বিউটেনের দাম গত তিন মাসে টনপ্রতি গড়ে ৭৯ দশমিক ৫০ ডলার বেড়েছে। একই সময়ে এলপিজি আমদানির প্রিমিয়াম ও জাহাজ ভাড়াও টনপ্রতি ৭০ ডলার বেড়েছে।

এলপিজির দাম বাড়ার পেছনে আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামাল ও আমদানি খরচ বড় প্রভাব ফেলে। এসব দামের ভিত্তিতেই এলপিজির দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

আগস্টে প্রোপেনের দাম ছিল টনপ্রতি ৬২০ ডলার। সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে ৬২৫ এবং অক্টোবরে ৬৮০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে বিউটেনের দাম ৬৪০ ডলার থেকে সেপ্টেম্বরে ৬৬০ এবং অক্টোবরে বেড়ে হয়েছে ৭৩০ ডলার।

প্রোপেন ও বিউটেনের গড় দামও আগস্টের ৬৩৩ ডলার থেকে সেপ্টেম্বরে ৬৪৭ দশমিক ৭৫ এবং অক্টোবরে ৭১২ দশমিক ৫০ ডলারে উঠেছে। অর্থাৎ তিন মাসে টনপ্রতি গড় দাম বেড়েছে ৭৯ দশমিক ৫০ ডলার। এর মধ্যে প্রোপেনের দাম বেড়েছে ৬০ ডলার এবং বিউটেনের ৯০ ডলার।

একই সময়ে এলপিজি আমদানির প্রিমিয়াম ও জাহাজ ভাড়াও বেড়েছে। আগস্টে এ খাতে টনপ্রতি খরচ ছিল ১৮০ ডলার। সেপ্টেম্বরে তা কমে ১৬০ ডলারে এলেও অক্টোবরে বেড়ে হয়েছে ২৫০ ডলার। অর্থাৎ তিন মাসে এ খাতে টনপ্রতি খরচ বেড়েছে ৭০ ডলার।

গত ৪ অক্টোবর দেশে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়েছে বিইআরসি। শুধু সাড়ে ১৩ কেজির নয়, ৫ কেজি থেকে শুরু করে ৪৫ কেজি পর্যন্ত সব ধরনের সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে।

তবে আগেও বিইআরসির নির্ধারিত দামে বাজারে এলপিজি মিলতো না। এখনও মিলছে না। সোমবার (৫ অক্টোবর) বাজারে ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার ২ হাজার ৪০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে।

এর আগে ১০ থেকে ১৫ দিন ধরেই বাজারে এলপিজির সংকটের অজুহাতে বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছিল। এখন সংকটের চেয়ে বেশি দামই গ্রাহককে ভোগাচ্ছে।