নারীর প্রতি সহিংসতা, পুঁজিবাদ ও সোভিয়েত রাষ্ট্রের শিক্ষা






মতিউর রহমান মিঠু‘হাঁস যেমন পাখি নয়, মেয়েরা তেমন মানুষ নয়’– এটা সামন্তীয় সমাজের কথা, এই সমাজ ব্যবস্থা মানব সমাজ পার করেছে প্রায় সাত শত বছর আগে। সামন্তীয় সমাজ নারীকে দেখা হতো মানুষ হিসেবে নয়; বরং দেখা হতো সন্তান উৎপাদন এবং মনোরঞ্জনের মাধ্যম হিসেবে, যেখানে প্রেম, ভালোবাসা, আবেগের কোনও স্থান ছিল না। তারও আগে অর্থাৎ দাস সমাজে কমিউনিটি (গোত্র) বিবাহের প্রচলন ছিল। যৌন জীবন সম্পর্কে সামান্যতম ধারণা ছিল না। পশুর যৌন জীবনের সঙ্গে মানুষের যৌন জীবনের পার্থক্য ছিল সামান্য! এটাকে সন্তান উৎপাদন এবং লালন-পালনের প্রাথমিক স্তর বলা যেতে পারে। এর পরের অধ্যায় একেবারে ভিন্ন, মানুষ প্রকৃতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে করতে উৎপাদনের হাল হাতিয়ারের পরিবর্তন করেছে, পোশাকের ব্যবহার শিখেছে। সন্তানের দাবি নিয়ে মারামারি করেছে, এখান থেকেই সন্তানের প্রতি আবেগের জন্ম হয়েছে। এখানে একটা জিনিস খুবই স্পষ্ট, তা হলো প্রত্যেকটা সমাজ ব্যবস্থায় নারীর অবস্থান ভিন্ন। আজ থেকে ২০ বছর আগে আমার দাদি, নানিকে ব্লাউজ, পেটিকোট ছাড়াই আমরা দেখেছি, আমাদের মায়েরা পুকুরে, নদীতে গোসল করতো, এটা নিয়ে গ্রামের লোকজনকে কোনও ধরনের কানাঘুষা, সমালোচনা করতে দেখেছি বলে মনে পড়ে না। তখন ওই জীবনযাত্রাকেই স্বাভাবিক মনে করা হতো। বোনদের বোরকা পরে স্কুলে যেতে দেখিনি, বর্তমানে কেউ বোরকা না পরলেই তাঁকে অশ্লীল কটূক্তি শুনতে হয়। ফলে জীবনযাত্রার মান পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নারীকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন হয়ে যায়। হতে পারে সেটা প্রগতিশীল কিংবা প্রতিক্রিয়াশীল।



বর্তমানে পুঁজিবাদী সমাজ ব্যবস্থা পৃথিবীর সমস্ত কিছুকে পণ্যের চোখে দেখতে চায়, সেটা হতে পারে রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজনীতি, শিক্ষা, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় কিংবা প্রেম-ভালোবাসা ইত্যাদি। যেহেতু পুঁজির ধর্ম লাভ খোঁজা, সেহেতু পুঁজি লাভের জন্য সমস্ত কিছুকে পণ্যে পরিণত করে তার নিয়মেই। প্রথম বিশ্বের দেশগুলোতে কিছুটা প্রচ্ছন্ন হলেও তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে এর প্রভাব প্রকট। একসময় বাংলাদেশে পতিতা ব্যবসা ছিল, পরবর্তীতে মাদক তার অনেকটা অংশ দখল করে। বর্তমানে রাজনীতি হচ্ছে দেশের সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা। অর্থনীতির ক্ষেত্রে মুক্তবাজার অর্থনীতির ধুয়া তুলে সমস্ত কিছুকেই লাভজনক পণ্যে পরিণত করেছে। শিক্ষা যেটা কিনা জাতীর মেরুদণ্ড সেটাও এখন মুনাফা লাভের হাতিয়ার। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রধান এখন তারাই যারা অগাধ অর্থ কড়ির মালিক। একদিকে ধর্মের চোখে নারীকে দেখা আরেকদিকে পুঁজিবাদী ব্যবস্থার চোখে দেখা। একদিকে দাসত্ব অন্যদিকে পণ্য! এরকম একটি পরস্পরবিরোধী অবস্থান নিয়ে বর্তমানে নারীরা অবস্থান করছে।

সাংস্কৃতিক বিষয় যদি বলেন, সেখানে জীবনবোধের থেকে মুনাফাকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়। বর্তমানে যেকোনও নাটক, সিনামাতে ধর্ষণ, যৌন নিপীড়ন, খুন, মারামারি, অন্যায়-অবিচার ইত্যাদিকে সিনেমার উপজীব্য করে উপস্থাপন করা হয়। এই সিনেমা নাটকগুলো ছেলেমেয়েদেরকে আগ্রাসী হতে শেখায়। বিজ্ঞাপনগুলোতে আরও ভয়ঙ্করভাবে উপস্থিতি নারী শরীরের! ছেলেদের দাড়ি কামানোর ব্লেড থেকে শুরু করে সকল বিজ্ঞাপনের সবখানেই নারীর সরব উপস্থিতি। সবখানে নারীর উপস্থিতি মানে সমানাধিকার নয়; বরং তাদের পণ্য হিসাবেই উপস্থাপন করা হয়। এখানে কয়েকটি বিজ্ঞাপন উল্লেখ করা যায়।

১. বাবা বিলাপ করছে তার যদি একটি ছেলে থাকতো, মেয়ে কালো, চাকরি হয় না। মেয়েটা একটা বিশেষ প্রতিষ্ঠানের ক্রিম মেখে ফর্সা হয়ে গেলো এবং বিমান বালার চাকরি পেলো! তার মানে কি একটি মেয়ের সকল যোগ্যতা ম্লান হয়ে যায় যদি চামড়া কালো হয়?

২. ছেলেদের শেখাচ্ছে, একা একা খেতে চাও দরজা বন্ধ করে খাও।

৩. কোমল পানীয় বিজ্ঞাপনে দেখানো হচ্ছে তোমার জন্য মরতে পারি ও সুন্দরী তুমি গলার মালা, তোমায় আমি যখন যেমন চাই আরসি’র মতো পাই। আরও শেখানো হয় চাচা আপন প্রাণ বাঁচা, নিজে বাঁচলে বাপের নাম।

এখানে কি দেখানো হলো, আপনি যখন যেভাবে ইচ্ছা নারীকে খরিদ করতে পারবেন! তারা (নারীরা) পণ্য ছাড়া আর কিছুই নয়। তোমার কি যোগ্যতা আছে সেটা বড় নয়, তোমার চামড়া ফর্সা কিনা সেটাই মুখ্য। আর ছেলেদের ঠেলে দিলেন ভোগবাদ বিলাসিতার দিকে। এভাবে ভোগবাদ, বিলাসিতার দিকে ঠেলে দিয়ে নৈতিক আচরণ আশা করা কি ঠিক?

এরকম পরস্পরবিরোধী ব্যবস্থা বজায় রেখে আর যাই হোক প্রগতিশীল সমাজ আশা করা নেহাতই বোকামো ছাড়া আর কিছু নয়। জীবনবোধের সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র বলেছেন, “মানুষকে পশুর স্তরে নামানো না গেলে তাকে দিয়ে পশুর কাজ করানো সম্ভব নয়।” পশুরা গণধর্ষণ করে না, কিন্তু মানুষ সেটা হরহামেশাই করে! বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম বলছেন, “নব্য যুগের ফেরাউন এরা ভেলকি খেলায় হারে, মানুষকে না মেরে এরা মনুষ্যত্বকে মারে।” নৈতিকতার ধস নামিয়ে দিতে পারলে মানুষকে দিয়ে যা ইচ্ছে তা-ই করানো যায়। পুঁজিবাদ এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে নৈতিকতা বিসর্জন না দিলে টেকা দায়।

প্রাকৃতিক নিয়মেই মানব জীবনে যৌবন আসে, শুধু মানুষ কেন, প্রতিটি প্রাণীর ক্ষেত্রে একই কথা প্রযোজ্য। ফি বছর যেমন নদীতে জোয়ার আসে, নদীর দুই পাড় প্লাবিত করে সেই প্লাবন থেকে ফসল  ইত্যাদি রক্ষার জন্য মানুষ বাঁধ নির্মাণ করে। ঠিক একইভাবে শরীরে যৌবন আসলে নৈতিকতার একটা বাঁধ তৈরি করতে হয়। এই বাঁধ তৈরির দায়িত্ব নিতে হয় রাষ্ট্রকে। কিন্তু রাষ্ট্র এই বিষয়গুলোকে দেখেও না দেখার ভান করে। আবার সমাজে যখন এর ব্যাপকতা বৃদ্ধি পায় তখন নতুন নতুন আইন পাস করে কিছু শাস্তির বিধান করে, নৈতিক শিক্ষার কথা বলে, ধর্মীয় অনুশাসনের কথা ইত্যাদি বলে জনগণের ক্ষতবিক্ষত মনে মলম লাগিয়ে ক্ষোভ প্রশমন করে। এমন ঘটনা আমরা মাদকের ক্ষেত্রেও দেখেছি, মাদকের উৎপাদন, প্রবাহ ইত্যাদি বন্ধ না করে কয়েকজন মাদক বহনকারী আর মাদকসেবীকে ক্রসফায়ারের নামে হত্যা করলে মাদকের সমস্যা যে দূর হবে না এটা পুরো পৃথিবীতে প্রমাণিত সত্য।

শরীরে যৌবন আসার আগেই যদি যৌবন মাথায় চলে আসে তার দুর্গতি আর দেখে কে। একদিকে নীল ছবি অন্যদিকে নাটক, সিনেমা, বিজ্ঞাপনে নারী দেহের অবাধ প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে ঠিক এই কাজটায় করে যাচ্ছে পুঁজিবাদী রাষ্ট্রসমূহ। একদিন (পুঁজিবাদের ঊষালগ্নে) প্রেমকে মর্যাদামণ্ডিত করেছে, মুক্ত প্রেম ও বিজ্ঞানসম্মত নৈতিকতার প্রচার করেছে, আজ তারাই সমাজে অসংখ্য পতিতা, মাদকসেবী, ধর্ষণকারী ইত্যাদি তৈরি করেছে। নৃ-বিজ্ঞানীরা অনেক আগেই দেখিয়েছেন, রাষ্ট্রের উৎপাদন পদ্ধতি এবং চরিত্র পরিবর্তনের সাথে সাথেই সমাজে নারীর অবস্থান এবং দেখার দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা হয়ে যায়। ফলে বর্তমানে পৃথিবীর সমস্ত দেশেই নারীর প্রতি সহিংসতা, নিপীড়ন অব্যাহতভাবে চলমান আছে। এখন প্রশ্ন হলো তাহলে কি নারীমুক্তি সম্ভব নয়?

হ্যাঁ, এই সমস্যার চিরস্থায়ী সমাধান করা সম্ভব বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে, পাঠকরা এই বক্তব্যকে হাস্যকর মনে করতে পারে। বিশেষ করে যারা মনে করেন, নৈতিকতা ব্যক্তির ভাবজগতের সীমাবদ্ধতা, এটা যুক্তির বাইরের বিষয়। বুদ্ধিমান বিবেকবান মানুষকে একটাই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমাদের দেশে নিখাদ ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি এবং পুঁজিবাদী নৈতিকতা কোনোটাতেই কাজ হচ্ছে না। শুধু আমাদের দেশ কেন, পৃথিবীর কোনও দেশই এই সামাজিক পাপকে, অপরাধকে জয় করতে পারছে না। নৈতিক অধঃপতন এমন হারে বাড়ছে যা আগে কখনও কোনও গণতান্ত্রিক দুনিয়ায় দেখা যায়নি। এর বিপরীত দিকে একদল মানুষকে আমরা দেখতে পেয়েছিলাম, যারা মনে করতেন, বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতি প্রয়োগ এবং রাষ্ট্রের উৎপাদন পদ্ধতি ও চরিত্র পরিবর্তনের মাধ্যমে এই সামাজিক পাপকে নির্মূল করা সম্ভব। এবং এটা তারা (সোভিয়েত রাশিয়া) প্রমাণ করেছিল। এই সত্যকে আজও অনেকেই মেনে নিতে পারে না। বরং কিছু উদ্ভট যুক্তির অবতারণা করে, তারা কাঁধে কাঁধ ঝাঁকিয়ে বলতে থাকে এগুলো পৃথিবীতে আদিকাল থেকে ছিল, আছে, থাকবে। আমাদের দেশের বুদ্ধিজীবীরাও অপরাধ প্রবণতার নিন্দা করেন কিন্তু তারাও ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় একই সুরে কথা বলে।

আমরা মাদক নির্মূল, নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সোভিয়েত রাশিয়ার পরিকল্পনা এবং তার ফলাফলের দিকে ফিরার কথা ভাবতে পারি। ক্ষমতা দখলের পর রাশিয়ান তরুণ ও বুদ্ধিজীবীদের নারী প্রশ্নে প্রথম স্লোগান ছিল, “প্রবৃত্তি ছাড়া তোমাদের হারাবার কিছু নেই।” এর বিরোধিতা করে একদল বলতে শুরু করলেন, শরীরের অন্যান্য আকাঙ্ক্ষার মতো যৌন আকাঙ্ক্ষাও একটি আকাঙ্ক্ষা। যেমন ক্ষুধা পেলে  খায়, তৃষ্ণা পেলে পানি পান করে, যৌনাকাঙ্ক্ষা ঠিক তেমন। সোভিয়েত নেতা “লেনিন” এসব বক্তব্যের কঠোর জবাব দিলেন, “স্বাভাবিক সময়ে একজন সুস্থ মানুষ কি খানাখন্দ বা পয়ঃপ্রণালীর পাশে শুয়ে তা থেকে তৃষ্ণা নিবারণ করবে? বা নোংরা গ্লাসে কি কেউ জল পান করবে? জলপান করা ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু প্রেমে দুটি জীবন যুক্ত এবং সেখানে তৃতীয় একটা জীবনের আবির্ভাব ঘটে। এখানেই প্রেমের সামাজিক মূল্য, এ থেকেই আসে সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রশ্ন।”

যৌনতা প্রশ্নের সঠিক সমাধানের জন্য সোভিয়েত রাষ্ট্র, জৈববিজ্ঞানী, মনোবিজ্ঞানী এবং নৃ-বিজ্ঞানীর সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করলেন নারী প্রশ্নের স্থায়ী সমাধানের জন্য।

১. প্রথমেই তারা প্রমাণ করলেন নারীর প্রতি সহিংসতা আদি কোনও ব্যাপার নয়, সমাজ বিকাশের পর্বেই এর সূত্রপাত।
২. ক্ষুধা ও তৃষ্ণার সাথে যৌনতার মৌলিক পার্থক্য আছে।
৩. নারী বা পুরুষের কারণে নয়; বরং সামাজিক ব্যবস্থায় নারী বৈষম্যের কারণ।
৪. শুধু নারীদের জন্যই নারী মুক্তির কর্মসূচি গ্রহণ করলে চলবে না, নারী মুক্তির কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে সমগ্র মানবজাতির জন্য। রাষ্ট্রের বিজ্ঞানীরা ইতিহাস ঘেঁটে সিদ্ধান্ত টানলেন এভাবে, “যাকে বর্তমানে আমরা প্রেম বলি তা হলো মানব সমাজের অন্যতম শ্রেষ্ঠ, প্রগতিশীল, বিপ্লবাত্মক বিকাশের ফল। এবং এই প্রেম ভালোবাসাকে সম্পূর্ণরূপে উপলব্ধি ও নিরন্তর বিকাশ ঘটাতে পারলে তার ওপর ভিত্তি করেই সত্যিকারের নৈতিক সমাজের জন্ম হতে পারে।”

এই হচ্ছে তৎকালীন সোভিয়েত রাশিয়ার দৃষ্টিভঙ্গি। তারা বুঝেছিলেন শুধু আইন করে, এক ধাক্কায় নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য নিরসন করা যাবে না। এর জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। বিজ্ঞানীদের পরামর্শে সোভিয়েত রাষ্ট্র দশ বছরের একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করে। তারা নারীকে নারী হিসেবে না দেখে মানুষ হিসেবে দেখার দৃষ্টিভঙ্গির জন্য সংগ্রাম করেছে, যোগ্যতা অনুযায়ী কাজের ব্যবস্থা করেছে, যাদের যোগ্যতা নেই তাদের যোগ্য করে গড়ে তুলেছে, বেকারত্বকে ঝেটিয়ে বিদায় করেছে, পাড়া-মহল্লায় ক্লাব, খেলার মাঠ, লাইব্রেরি, সাংস্কৃতিক বিকাশ কেন্দ্র গড়ে তুলেছে, বহু ধর্ম আর বহু ভাষার এক বিশাল জনগোষ্ঠীকে এক পতাকাতলে আবদ্ধ করেছে, বিজ্ঞানভিত্তিক সমচিন্তার মানুষের চাষ করেছে। আর এভাবেই সারা দুনিয়ায় একমাত্র রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করেছিল তাদের দেশে মদ, জুয়া, ধর্ষণ, নারীর প্রতি সহিংসতা বলে কিছু নেই। এগুলোকে সোভিয়েত রাশিয়া সামাজিক পাপ হিসাবেই গণ্য করেছিল। এবং এই সামাজিক পাপকে সমাজ থেকে ঝেটিয়ে বিদায় করেছিল। মাত্র দশ বছরে সোভিয়েত রাশিয়া মানুষের বাসযোগ্য একটি সমাজ পৃথিবীকে উপহার দিয়েছিল। আজ সোভিয়েত রাষ্ট্র নেই কিন্তু সমগ্র মানবজাতির জন্য রেখে গেছে তাদের শিক্ষা।

লেখক: প্রোমোটিং পিস অ্যান্ড জাস্টিস-প্রজেক্ট, ফিল্ড অফিসার-আরডিআরএস বাংলাদেশ, দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড়।

ssfmithu@gmail.com