শুক্রবার বিকেলে নগরীর নিউমার্কেটের সামনে এলাকাবাসীর ব্যানারে মানববন্ধনে টুকুর পরিবারের সদস্য ছাড়াও অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জামাত খান,মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আব্দুল মমিন,সাধারণ সম্পাদক জেডু সরকার।
এদিকে জিয়াউল হক টুকু হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে শুক্রবার বিকেলে প্রেস ব্রিফিংয়ে মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. সামসুদ্দিন বলেন, তার চেম্বারের বাইরের রুমে তিনজন খাচ্ছিলেন। আর গোপন কক্ষে টুকু ও নয়ন ছিলেন। নয়নের ফোন বন্ধ আছে। তিনি বর্তমানে কোথায় আছেন, তা বের করা হচ্ছে। এছাড়া নয়ন ও তরিকুল নামের দুইজন এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিক তদন্তে বের হয়ে এসেছে। পুলিশ তাদের গ্রেফতারে কাজ করছে। তারা দুইজনেই কানাডা প্রবাসী। তারা যেন দেশ ত্যাগ করতে না পারে, সে জন্য সংশ্লিষ্টদের চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে।|
গত ২৪ এপ্রিল বিকেলে নগর ভবনের সামনে টুকু তার ব্যবসায়ীক চেম্বারে গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।এ ঘটনায় তার স্ত্রী পাঁচজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। আসামিদের মধ্যে জসিম ও রবিউলকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
/এমএসএম /