মা ইলিশ রক্ষায় প্রতি বছর অক্টোবরে ১১ দিন এবং জাটকা রক্ষায় মার্চ-এপ্রিল নদীতে মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সরকার। সে হিসেবে গত দুই মাস নদী মাছ ধরতে যাননি জেলেরা। যারা নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেছে তাদের জরিমানা করা হয়েছে।
জেলা মৎস্য অফিসের তথ্য মতে, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় গত দুই মাসে ৫৩০ জনকে জরিমানা করেছে প্রশাসন। যাদের অধিকাংশই জেলে।
সদর উপজেলার দোকানঘর এলাকার মেঘনার নদী পাড় ঘুরে দেখা গেছে, জেলেরা ডাঙায় তুলে রাখ নৌকা ধোয়া-মোছা বা কেউ আলকাতরা মাখনোর কাজে ব্যস্ত।
দোকানঘর এলাকার জেলে আব্দুল জলিল বলেন, এ বছর সরকারের নিষেধাজ্ঞা থাকায় তারা গত দু’মাস মাছ ধরতে যাননি। ওই দু’মাসে সরকারের পক্ষ থেকে তাদের ৪০ কেজি চাল দেওয়া হলেও প্রয়োজনের তুলনায় তা ছিল অপ্রতুল।
আর তাই নিষেধাজ্ঞার দু’মাস চালের পরিবর্তে নগদ সহায়তার বা বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার দাবি জানালেন করিম বেপারী। তিনিও বলেন, সরকারের সহায়তার চান তাদের কাছে ঠিক মতো পৌঁছাই না। এমনকি তাদের নিম্নমানের চাল এবং ওজনে কম দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
চাঁদপুর মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের ইলিশ গবেষক ড. আনিছুর রহমান বলেন, বৃষ্টি না হওয়ায় নদীতে স্রোত কম। এ জন্য ইলিশ কম ধরা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বৃষ্টি হলে এবং পানি ঘোলা হলে গতবারের চেয়েও এবার ইলিশ বেশি ধরা পরবে।
/বিটি/এসএনএইচ/