রাবির বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক প্রতিবেদন ২০১৪-২০১৫ প্রকাশিত হয়েছে। এ নিয়ে গত তিন বছরের মধ্যে ছয়টি প্রতিবেদন প্রকাশ করলো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ফলে আবারও প্রতিবেদন প্রকাশে ধারাবাহিকতায় ফিরেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। এর আগে ২০০০ সালের পর থেকে অনিয়মিতভাবে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হতো। তবে ২০১৩ সালের পর থেকে এ প্রতিবেদন নিয়মতি করার চেষ্টা অব্যাহত রাখে প্রশাসন।

বুধবার উপাচার্য অধ্যাপক মুহম্মদ মিজানউদ্দিনের নিকট এই প্রতিবেদন তুলে দেন বার্ষিক প্রতিবেদন সম্পাদনা পর্ষদের সভাপতি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী সারওয়ার জাহান।

জানা গেছে, ২০১৩ সালের জুন মাসে মাসে ২০০৯-২০১০ শিক্ষাবর্ষের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এর আগে ২০০৪-০৫ শিক্ষাবর্ষে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। যার প্রকাশকাল হিসেবে দেওয়া হয়েছে এপ্রিল ২০১০। ২০০৫-০৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে ২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষের বার্ষিক প্রতিবেদনগুলো প্রকাশিত হলেও গ্রন্থাগারের সাময়িকী শাখায় সেই কপিগুলো সংক্ষণ নেই। এর আগে ২০০৩-০৪ শিক্ষাবর্ষের বার্ষিক প্রতিবেদনের প্রকাশকাল পাওয়া যায় ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারিতে। আর ২০০২-০৩ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনের প্রকাশকাল এপ্রিল-২০০৫। এছাড়া ২০০১-০২ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনটি প্রকাশ হয়েছে ২০০২ সালের মার্চ মাসে। আর ১৯৯৯-২০০০ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে ২০০১ সালে। তবে এর আগের বার্ষিক প্রতিবেদনগুলো প্রায় নিয়মিতভাবেই প্রকাশিত হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়টির অধ্যাদেশের (ক্যালেন্ডার) ভলিউম-১ এর প্রথম অধ্যায়ের ৪৮ নম্বর ধারায় নিয়মিত বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশের কথা বলা আছে। কিন্তু ২০০০ সালের পর থেকে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ অনিয়মিত হয়ে পড়েছিল।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতরের প্রশাসক মশিহুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ অনিয়মিত ছিল। বর্তমান উপাচার্য ২০১৩ সালে দায়িত্ব গ্রহণের পর বার্ষিক প্রতিদেন নিয়মিত প্রকাশের বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তারই ধারাবাহিকতায় তিন বছরে ছয়টি প্রতিবেদন প্রকাশের মধ্য দিয়ে বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ হালনাগাদ হল।

বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে জানানো হয়, এ বার্ষিক প্রতিবেদনে ২০১৪-২০১৫ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের পঠন-পাঠন ও গবেষণা, প্রকাশনা এবং আনুষঙ্গিক তথ্য স্থান পেয়েছে। এছাড়া ৯ম সমাবর্তন ও একবিংশ বার্ষিক সিনেট অধিবেশন সম্পর্কে দুটি বিশেষ প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়েছে। ১০ সদস্যবিশিষ্ট একটি সম্পাদনা পর্ষদ প্রতিবেদনটি সম্পাদনা করেছে।

/এসএনএইচ/